জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন ও সেবা মূলক রাষ্ট্র গঠনে করণীয় বিষয়ে আন্তঃক্যাডার বৈষম্য নিরসন পরিষদের সাথে সাংবাদিকদের একটি মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রাজধানীর খামারবাড়িস্থ কৃষি তথ্য সার্ভিসের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকরা সভায় তাদের মতামত তুলে ধরেন।
সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে আন্তঃক্যাডার বৈষম্য নিরসন পরিষদের সমন্বয়ক ড. মুহম্মদ মফিজুর রহমান বলেন, জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনে ২৫টি ক্যাডারের পক্ষ থেকেই পেশাভিত্তিক মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা এবং উপসচিব পদে কোটা বাতিলের প্রস্তাব করা হয়েছিলো। সমাজের বিভিন্ন স্তর হতেও সিভিল সার্ভিসে পেশাদারিত্বকে গুরুত্ব দেবার জন্য আহ্বান করা হয়েছে। অথচ, জনদাবিকে উপেক্ষা করে সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনে ক্ষমতাধর একটি গোষ্ঠীর নিরঙ্কুশ ক্ষমতা আরও বৃদ্ধির প্রয়াস লক্ষ্য করা গেছে। এই রিপোর্ট পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে রাষ্ট্র সংস্কারের প্রচেষ্টা ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবে এবং প্রশাসনিক ফ্যাসিজম আরও শক্তিশালী হবে।
এসময় বলা হয়, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যকে ক্যাডার বহির্ভুত করার প্রস্তাব হতে সরে এসে সুকৌশলে নিয়োগের প্রক্রিয়ায় ভিন্নতা রাখা হয়েছে। যেন ধীরে ধীরে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যকে মূলধারা থেকে বের করা যায়। এছাড়াও, পরিবার পরিকল্পনা ক্যাডারের বিষয় সংস্কার প্রস্তাবে না রাখা এবং পরিসংখ্যান ক্যাডারকে অযৌক্তিকভাবে সার্ভিসের বহির্ভূত করার সুপারিশ করা হয়েছে। এর ফলে এইসব সেক্টরে মেধাবীরা কম আকৃষ্ট হবে এবং এসব