আসন্ন ঈদ উল আযহা উপলক্ষে অসহায় মানুষের মাঝে গোশত বিতরণের জন্য নেয়া ৪শ’ গরু কোরবানির কর্মসূচি স্থগিত করেছে জাহেদী ফাউন্ডেশন। সন্ত্রাসী হুমকির পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জাহেদী ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে আজ বুধবার (২৮ মে) গণমাধ্যমকে জানানো হয়েছে।
বুধবার রাজধানীর মহাখালীতে অবস্থিত সংস্থাটির কার্যালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জাহেদী ফাউন্ডেশন প্রতিবছর ঝিনাইদহে অস্বচ্ছল পরিবারের মাঝে রমজান মাসে খাদ্য সামগ্রী এবং কোরবানীর ঈদে গোশত বিতরণ করে আসছে। ফাউন্ডেশনের এ কর্মসূচি শুধু ঝিনাইদহেই নয়, বরং সারাদেশে প্রশংসা কুড়িয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় এ বছর রামজান মাসে প্রায় ৫০ হাজার পরিবারের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া আগামী ঈদে গোশত বিতরণের জন্য ৪০০টি গরু কোরবানীর উদ্যোগ নেয়া হয়। এরই মধ্যে গরু কেনা ও স্থানীয় কসাইদের সাথে চুক্তিও করা হয়েছে। কিন্তু কর্মসূচির প্রস্তুতি চলার সময় ২৭ মে দুপুরে ২৪/২৫টি মোটল সাইকেল যোগে ৫০ জনের বেশি সন্ত্রাসী প্রস্তুতিস্থলে আসে। হকিন্টিকসহ দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তারা গোশত বিতরণের নির্ধারিত স্থান ঝিনাইদহের কিংশুক ইট ভাটায় মহড়া দেয়। সেসময় ডেকোরেটরের কাজ বন্ধসহ এই কর্মসূচি না করতে হুমকি দিয়ে যায়।
এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নিরাপত্তাজনিত কারণে আপাতত গোশত বিতরণ কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে। তবে স্থানীয় প্রশাসনের সাথে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে সংস্থাটি জানায়।
এদিকে কারা হুমকি দিতে গিয়েছিল তাদের বিক্সের সিসি টিভি ফুটেজ দেখে শনাক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানান, কিংশুক বিক্সের কর্মচারী সজীব হোসেন।
জাহেদী ফাউন্ডেশনের জেলা সমন্বয়কারী তবিবুর রহমান লাবু বলেন, একদল সন্ত্রাসী রামদা, হকিস্টিক ও লাঠিসোটা নিয়ে মঙ্গলবার কিংশুক বিক্সে যেয়ে ম্যানেজার ওদুদ এবং আরাপপুরে নবগঙ্গা নদী সংলগ্ন মহুল সাহেবের বিল্ডিংয়ে যেয়ে কেয়ারটেকার মন্টুকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে ও হুমকি দেয়। তারা সিসিটিভি ক্যামেরাও ভাংচুর করে। তারা সব বন্ধ করতে বলে। নিরাপত্তার কারণে কোরবানির কার্যক্রম স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ব্রিক্সের কর্মচারী জীবন বাদি হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।