সনাতনী সম্প্রদায়ের মানুষের বাড়িঘর ও মন্দিরে হামলা বন্ধ, হামলাকারীদের গ্রেফতার, বিচার এবং ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণসহ ৮ দফা দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে গোপালগঞ্জে।সোমবার গোপালগঞ্জ বিসিক ব্রিজ থেকে এলজিইডির মোড় পর্যন্ত এ মিছিল বিস্তৃত ছিল। গোটা শহর পরিণত হয় মিছিলের নগরীতে। গোপালগঞ্জের ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায় এ বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে।
হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা সকাল ১০টা থেকে পাঁচ উপজেলা থেকে গোপালগঞ্জ কেন্দ্রীয় কালীবাড়ি ও প্রেস ক্লাবের সামনে সমবেত হন। বেলা ১১টায় হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ, পূজা উৎযাপন কমিটির ও কালীবাড়ির যৌথ ব্যানারে বিক্ষোভ সমাবেশ শুরু হয়। এসময় টুঙ্গিপাড়া-গোপালগঞ্জ সড়কের সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ থাকে। বিক্ষোভ সমাবেশ নারী, পুরুষ, যুবক ও শিশুরা অংশগ্রহণ করেন। পরে সমাবেশ সমাপ্তি ঘোষণা করেন গোপালগঞ্জ কেন্দ্রীয় কালীবাড়ি সভাপতি রমেন সরকার।
বিক্ষোভ সমাবেশে স্লোগান ছিল ‘কথায় কথায় বাংলা ছাড়, বাংলা কি কারও বাপ দাদার’, ‘জেগেছে রে জেগেছে, সনাতনীরা জেগেছে’, ‘আমার দেশ, তোমার দেশ, বাংলাদেশ বাংলাদেশ’, ‘আমার মাটি, আমার মা, দেশ ছেড়ে কোথাও যাব না’, ‘স্বাধীন দেশে হামলা কেন, প্রশাসন জবাব চাই’, ‘বিচার চাই বিচার চাই, হামলাকারীর বিচার চাই’ ইত্যাদি। সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ গোপালগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি প্রদীপ কুমার বিশ্বাস পল্টু, সাধারণ সম্পাদক দুলাল বিশ্বাস সবুজ, উজ্জ্বল বিশ্বাস গোপালগঞ্জের জেলা আওয়ামী লীগ নেতা,মৃণাল কান্তি রায় চৌধুরী পপা,সাবেক ছাত্রনেতা টিটু বৈদ্য প্রমুখ।