ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে জাসদের শুভেচ্ছা বার্তা।
বিশ্বের মুসলমান সম্প্রদায়ের বৃহত্তম ধমীর্য় উৎসব ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দজাসদ কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটি আজ ৬ জুন ২০২৫ শুক্রবার এক শুভেচ্ছা বার্তায় বাংলাদেশসহ বিশ্বের মুসলমান সম্প্রদায়ের সকলকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তারা বলেন, মুসলমানদের প্রিয় বস্তুকে আল্লাহর উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করার ঈদুল আযহার মর্মবানীকে ধারণ করে সমাজের অসহায়—নিরুপায় মানুষ ও মানবতার জন্য নিজেদের উৎসর্গ করার মানসিকতা অর্জনের মধ্য দিয়েই ঈদুল আযহার মহিমা প্রতিষ্ঠিত হতে পারে। জাসদের বিবৃতিতে, ঈদুল আযহার উৎসর্গ ও উৎসবের আনন্দ সমাজের অসহায়—নিরুপায় মানুষের মধ্যে ভাগাভাগি করে নেয়ার আহ্বান জানান।
৭-জুন মহান স্বাধীকার দিবস উপলক্ষ্যে জাসদের বিবৃতি
জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির পক্ষ থেকে ৬জুন ২০২৫ শুক্রবার এক বিবৃতিতে বলেছেন, ৭-জুন মহান স্বাধীকার দিবস বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক অনন্য দিন। ১৯৬৬ সালের ৭ জুন বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৬ দফা দাবিতে হরতাল পালনের মধ্যে দিয়ে বাঙালি জাতি ৬ দফা তথা বাঙালি জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকার-স্বাধীকর-স্বায়ত্বশাসনের পক্ষে চূড়ান্ত সমর্থন ও রায় প্রদান করে। বাঙালি সুস্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয় যে তারা পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকদের শাসন-শোষনের শিকলে আর বন্দি থাকতে রাজি নয়। ৬দফার ভিত্তিতে এই এই স্বায়ত্তশাসন ও স্বাধীকার আন্দোলন ধাপে ধাপে একদফা তথা স্বাধীনতার আন্দোলনে উন্নীত হয়। স্বাধীনতা সংগ্রামের পথ বেয়েই স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয় এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্যে দিয়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে বাংলাদেশের স্বাধীনতা পূর্ণতা লাভ করে। জাসদের বিবৃতি, বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে ৬দফার প্রতি বলিষ্ঠ সমর্থন প্রদান করে ৬দফা আন্দোলনকে আপসহীনভাবে এগিয়ে নেয়ার জন্য তৎকালীন ছাত্রলীগের অভ্যন্তরে স্বাধীনতাপন্থীদের ঐতিহাসিক ভুমিকা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন এবং ১৯৬৬সালের ৬জুনের হরতালে নিহত শহীদ মনুমিয়াসহ শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে।