• ২৫শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১১ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ১০ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি
আগুনবেলা

জিয়াউর রহমানের কর্ম নিয়ে গবেষণা বাড়াতে হবে— শেকৃবিতে ডা. আব্দুল কুদ্দুসের স্মরণসভায় এলজিআরডি মন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত মে ২, ২০২৬
জিয়াউর রহমানের কর্ম নিয়ে গবেষণা বাড়াতে হবে— শেকৃবিতে ডা. আব্দুল কুদ্দুসের স্মরণসভায় এলজিআরডি মন্ত্রী

গভীর শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও স্মৃতিচারণের মধ্য দিয়ে রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি অডিটরিয়ামে জিয়া পরিষদের চেয়ারম্যান, প্রখ্যাত চক্ষু চিকিৎসক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডা. মোঃ আব্দুল কুদ্দুসের স্মরণে এক সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষাবিদ, রাজনীতিক, পেশাজীবী ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি মরহুমের কর্মময় জীবন, দেশপ্রেম ও মানবিক গুণাবলীর কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।

জিয়া পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এবং শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মোঃ আবদুল লতিফের সভাপতিত্বে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে মরহুমের রূহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও শুভানুধ্যায়ীরা এতে অংশগ্রহণ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, অধ্যাপক ডা. আব্দুল কুদ্দুস ছিলেন একজন আদর্শবান, সৎ ও নিরহংকার মানুষ, যিনি ব্যক্তিগত জীবন ও পেশাগত ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রেখে গেছেন। একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তিনি দেশের জন্য যেমন কাজ করেছেন, তেমনি একজন চিকিৎসক হিসেবে মানুষের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন। তার জীবন আমাদের জন্য এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।

মন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের দুর্ভাগ্য যে আমরা তাকে বেশিদিন আমাদের মাঝে ধরে রাখতে পারিনি। তবে তার আদর্শ, নীতি ও কর্ম আমাদের মাঝে চিরকাল বেঁচে থাকবে। নতুন প্রজন্মের উচিত তার জীবন থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা এবং দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করা।

তিনি জিয়া পরিষদের কার্যক্রমের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান-এর জীবন, দর্শন ও রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন দিক নিয়ে আরও বিস্তৃত গবেষণা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে জিয়া পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সংগঠনটির কার্যপরিধি বাড়িয়ে জনগণের মাঝে ইতিহাসভিত্তিক সঠিক তথ্য তুলে ধরার আহ্বান জানান তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে ড. মোঃ আবদুল লতিফ বলেন, অধ্যাপক ডা. আব্দুল কুদ্দুস শুধু একজন সংগঠকই নন, তিনি ছিলেন একজন আলোকিত মানুষ, যিনি নীরবে-নিভৃতে মানুষের কল্যাণে কাজ করে গেছেন। তিনি তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং তার আদর্শ ধারণ করে এগিয়ে যাওয়ার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন জিয়া পরিষদের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্বরা। বক্তারা মরহুমের কর্মজীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন এবং তার সততা, দেশপ্রেম ও মানবিক মূল্যবোধের প্রশংসা করেন।

স্মরণসভা শেষে দোয়া ও মোনাজাতে মরহুম অধ্যাপক ডা. মোঃ আব্দুল কুদ্দুসের আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয় এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়। অনুষ্ঠানের পরিবেশ ছিল আবেগঘন ও শোকাবহ, যেখানে উপস্থিত সকলে মরহুমের স্মৃতির প্রতি নীরব শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

June 2026
S S M T W T F
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930