মালয়েশিয়ায় প্রথম রাষ্ট্রীয় সফর শেষে দেশটির সাথে দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক সম্পর্ককে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সফরকালে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম এবং তাঁর সহধর্মিণী ড. ওয়ান আজিজাহ বিনতে ওয়ান ইসমাইলের পক্ষ থেকে পাওয়া উষ্ণ অভ্যর্থনা ও আন্তরিক আতিথেয়তার জন্য প্রধানমন্ত্রী নিজের এবং তাঁর সহধর্মিণী ড. জুবাইদা রহমানের পক্ষ থেকে গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
এক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, “মালয়েশিয়া সরকার ও সেদেশের বন্ধুভাবাপন্ন জনগণের প্রদর্শন করা সৌহার্দ্য, সদ্ব্যবহার ও আন্তরিকতায় আমরা গভীরভাবে অভিভূত। প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সাথে আমার ফলপ্রসূ আলোচনা বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী ও অবিচ্ছেদ্য বন্ধনকে আরও পুনরুজ্জীবিত করেছে। এই বন্ধন কেবল পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমৃদ্ধির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং আঞ্চলিক অগ্রগতির ক্ষেত্রেও এক অভিন্ন অঙ্গীকার।”
বিবৃতিতে তিনি দুই দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্কের কথা স্মরণ করে বলেন, “এটি একটি অত্যন্ত প্রিয় ও মর্যাদাপূর্ণ সম্পর্ক, যার সূচনা হয়েছিল বহু দশক আগে—যখন আমার পিতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি এবং পরবর্তীতে আমার মাতা বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।”
সফরকালীন মালয়েশিয়ার মহামান্য রাজা সুলতান ইব্রাহিম ইবনি সুলতান ইস্কান্দারের সাথেও সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। রাজার সাথে অত্যন্ত আন্তরিক পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকের জন্য তাঁর প্রতি বিশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জোর দিয়ে বলেন, বাংলাদেশ মালয়েশিয়ার সাথে দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক সম্পর্ককে সর্বোচ্চ মূল্যায়ন করে। দুই দেশের জনগণের মধ্যকার নিবিড় যোগাযোগ (people-to-people connectivity) বিভিন্ন খাতে এই সম্পর্ককে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের প্রথম এই সফল রাষ্ট্রীয় সফর পরবর্তী সময়ে, মালয়েশিয়ার সাথে বাংলাদেশের এই বহুমুখী অংশীদারিত্ব ও বন্ধনকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করতে প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।