সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী জনাব নিতাই রায় চৌধুরী, এমপি-এর সাথে আজ সোমবার সকাল ১১:৩০ মিনিটে তাঁর অফিস কক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত প্যালেস্টাইনের রাষ্ট্রদূত জনাব ইউসেফ এস. ওয়াই. রামাদান (H.E. Mr. Yousef S. Y. Ramadan) এক সৌজন্য সাক্ষাৎকারে মিলিত হন।
সাক্ষাৎকারকালে প্যালেস্টাইনের রাষ্ট্রদূত স্পেনের মাদ্রিদে অনুষ্ঠিতব্য একটি যৌথ সাংস্কৃতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য স্পেনের সংস্কৃতি মন্ত্রী জনাব আর্নেস্ট উরতাসুন দোমেনেখ (H.E. Mr. Ernest Urtasun Domènech) এবং প্যালেস্টাইনের সংস্কৃতি মন্ত্রী জনাব ইমাদ এ. হামদান (H.E. Mr. Emad A. Hamdan)-এর যৌথ আমন্ত্রণপত্রটি বাংলাদেশের সংস্কৃতি মন্ত্রীর নিকট আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেন।
সংস্কৃতি মন্ত্রী জনাব নিতাই রায় চৌধুরী আমন্ত্রণপত্রটি সাদরে গ্রহণ করেন এবং এই গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, সংস্কৃতি বিভিন্ন জাতি ও জনগোষ্ঠীর মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া, শান্তি ও সংলাপের শক্তিশালী সেতু হিসেবে কাজ করে। এই আমন্ত্রণটি বাংলাদেশ সরকারের যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে এবং মন্ত্রীর দাপ্তরিক সময়সূচি বিবেচনা করে ইতিবাচকভাবে মূল্যায়ন করা হবে বলে তিনি জানান।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও প্যালেস্টাইনের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী, ঐতিহাসিক এবং ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা স্মরণ করা হয়। সংস্কৃতি মন্ত্রী পুনর্ব্যক্ত করেন যে, বাংলাদেশ স্বাধীন ও সার্বভৌম প্যালেস্টাইন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা এবং ফিলিস্তিনি জনগণের ন্যায়সংগত অধিকারের প্রতি সবসময় অবিচল সমর্থন বজায় রেখেছে। দুই দেশের মধ্যকার বিদ্যমান মৈত্রী ও সহযোগিতা আগামীতে আরও সুদৃঢ় হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
প্যালেস্টাইনের সাথে সাংস্কৃতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে বাংলাদেশ গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে শিল্পী ও সাংস্কৃতিক দল বিনিময়, যৌথ প্রদর্শনী, ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং সাংস্কৃতিক সংলাপ অন্যতম। উভয় পক্ষই দুই দেশের সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সহযোগিতার নতুন নতুন ক্ষেত্র উন্মোচনে একমত পোষণ করেন।
পরিশেষে, সংস্কৃতি মন্ত্রী প্যালেস্টাইনের রাষ্ট্রদূতকে তাঁর সফরের জন্য ধন্যবাদ জানান এবং বাংলাদেশে তাঁর কূটনৈতিক মিশনের ধারাবাহিক সাফল্য কামনা করেন। রাষ্ট্রদূত ইউসেফ রামাদানও বাংলাদেশের সরকার ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ জনগণের প্রতি তাঁর আন্তরিক শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।