• ২৬শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১১ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ১২ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি
আগুনবেলা

নজরুল বর্ষের কর্মসূচি জনমুখী করার প্রত্যয়: শিল্পকলা একাডেমিতে জমকালো ‘শিল্পী সম্মেলন’ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত​

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত জুলাই ১২, ২০২৬
নজরুল বর্ষের কর্মসূচি জনমুখী করার প্রত্যয়: শিল্পকলা একাডেমিতে জমকালো ‘শিল্পী সম্মেলন’ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত​



জাতীয় জীবন ও বাংলা সাহিত্যে সাম্যের কবি, দ্রোহের কবি, আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের অসামান্য অবদানকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে দিতে এবং ঘোষিত ‘নজরুল বর্ষ ২০২৬-২০২৭’ দেশব্যাপী নানা আঙ্গিকে উদযাপনের লক্ষ্যে আজ এক বিশেষ ‘শিল্পী সম্মেলন’ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে আজ ১২ জুলাই ২০২৬, রবিবার সকাল ১১:০০ টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে এই উৎসবমুখর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
​উক্ত বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী জনাব নিতাই রায় চৌধুরী এমপি। তিনি তার বক্তব্যে নজরুল বর্ষের কর্মসূচিসমূহকে তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দিয়ে তরুণ প্রজন্মকে কবির অসাম্প্রদায়িক ও মানবিক চেতনায় উদ্বুদ্ধ করার আহ্বান জানান। একই সাথে তিনি অত্যন্ত মানবিক ও জোরালো কণ্ঠে ঘোষণা করেন, দেশের অসচ্ছল ও অসুস্থ শিল্পীদের কল্যাণ ও চিকিৎসার্থে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করা হবে এবং সরকার সর্বদা তাদের পাশে থাকবে।
​অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জনাব আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম এমপি।
বক্তাগণ জাতীয় কবির সৃষ্টি ও জীবনদর্শনকে বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে তুলে ধরার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
​অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মিজ্ কানিজ মওলা। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক জনাব শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদ (রেজাউদ্দিন স্টালিন) এবং উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সচিব জনাব মোহাম্মদ জাকির হোসেন।
​নজরুল বর্ষের গৃহীত পরিকল্পনাসমূহকে আরও গতিশীল ও জনমুখী করার প্রত্যয়ে দেশের বিভিন্ন শিল্পমাধ্যমের গুণী শিল্পীবৃন্দ, নজরুল গবেষক, বুদ্ধিজীবী ও সুধীজন এই সম্মেলনে উপস্থিত থেকে তাদের মূল্যবান মতামত ও সংহতি প্রকাশ করেন। বক্তাগণ আশা প্রকাশ করেন, এই আয়োজনের মাধ্যমে জাতীয় কবির সাম্য ও মানবতার বাণী বাংলার প্রতিটি কোণে পৌঁছে যাবে।