বীমা শিল্পের অন্যতম প্রথিকৃত এম এ সামাদ এর ২০তম মৃত্যু বার্ষিকীতে সিলেট রত্ন ফাউন্ডেশনের বিনম্র শ্রদ্ধা
বীমা শিল্পের অন্যতম প্রথিকৃত এম এ সামাদ এর ২০তম মৃত্যু বার্ষিকীতে সিলেট রত্ন ফাউন্ডেশনের বিনম্র শ্রদ্ধা
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত অক্টোবর ১৯, ২০২৫
বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লি. (বিজিআইসি)-এর প্রতিষ্ঠাতা, বাংলাদেশের বিমা শিল্পের অন্যতম পথিকৃত, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত, বিশিষ্ট বিমা ব্যক্তিত্ব এম এ সামাদের ২০তম মৃত্যুবার্ষিকী। বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের অধিকারী এম এ সামাদ রাষ্ট্রায়ত্ত জীবন বিমা করপোরেশনের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর পদ থেকে অবসর গ্রহণের পর ১৯৮৫ সালে বেসরকারি খাতের প্রথম নন-লাইফ বিমা প্রতিষ্ঠান, বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লি. (বিজিআইসি) প্রতিষ্ঠা করেন। মূলত জীবন বিমার একজন লিজেন্ড হয়েও তিনি সাধারণ বিমার ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রেখেছেন। তিনি ছিলেন বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা, উদ্যোক্তা-পরিচালক এবং বাংলদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক চেয়ারম্যান। বাংলা ও ইংরেজিতে তিনি জীবন বিমার ওপর তিনটি এবং সাধারণ বিমার ওপর একটি বই রচনা করেছেন, যা দেশে-বিদেশে ব্যাপকভাবে সমাদৃত। জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সম্পর্কিত টেকনিকেল অ্যাসিসটেন্স প্রোগ্রামে একজন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ হিসেবে তাকে তালিকাভুক্ত করা হয়। তিনি ইউএনডিপির অধীনে বিমাশিল্পে ফেলোশিপ সংক্রান্ত অনুষ্ঠানগুলোয় যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেন। এম এ সামাদ ১৯২৩ সালের ১ জানুয়ারি মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়ায় এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।তাঁর সহধর্মিনী ফওজিয়া সামাদ আজীবন লেডিস ক্লাবের সভানেত্রী ছিলেন।তাঁর সুযোগ্য সন্তান জনাব তৌহিদ সামাদ বর্তমানে বিজিআইসি’র চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন।তাঁর এক কন্যা সাবরিনা সামাদ সামাদ-ফওজিয়া ফাউন্ডেশনের চেয়ারপার্সন হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।এছাড়াও তিনি সিলেট রত্ন ফাউন্ডেশনের ভাইস-চেয়ারম্যান।
এম এ সামাদ শিক্ষাজীবনে একজন কৃতী ছাত্র ছিলেন। ১৯৪৫ সালে কলকাতার প্রেসিডেন্সী কলেজ থেকে তিনি সম্মানসহ বিএ ডিগ্রি লাভ করেন। এরপর কিছুদিনের জন্য তিনি অল ইন্ডিয়া রেডিওর নয়া দিল্লীতে বাংলা সংবাদ ঘোষক ও অনুবাদকের কাজ করেন। বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির সঙ্গেও এম এ সামাদের সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। চট্টগ্রাম থাকাকালে তিনি বহুদিন চট্টগ্রাম কৃষ্টি কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।দেশ বিভাগের পর পরই তিনি নতুন দিল্লীতে অল ইন্ডিয়া রেডিও থেকে ঢাকার রেডিও পাকিস্তানে বদলি হয়ে আসেন এবং বাংলা সংবাদ বিভাগের দায়িত্বে নিযুক্ত হন।
জনাব এম এ সামাদ ২০০৫ সালে ১৭ অক্টোবর ঢাকায় ইন্তেকাল করেন।তিনি বনানী কবরস্হানে চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন।