• ৩রা নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১৮ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি
আগুনবেলা

ভারত-বাংলাদেশ উন্নয়ন অংশীদারত্ব চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকায় সিটি স্ট্রিট লাইট সিস্টেমের আধুনিকীকরণের লক্ষ্যে একটি প্রকল্পের জন্য ৬ জুলাই ২০২৪-এ চট্টগ্রামে একটি চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে এক নতুন অধ্যায়ের সাক্ষী হয়। প্রকল্পটি ভারত সরকারের রেয়াতি লাইন অব ক্রেডিট প্রোগ্রামের অধীনে ২৫.৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের (প্রায় ৩০০ কোটি টাকা) ক্রেডিট লাইনের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হচ্ছে।

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত জুলাই ৭, ২০২৪
ভারত-বাংলাদেশ উন্নয়ন অংশীদারত্ব চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকায় সিটি স্ট্রিট লাইট সিস্টেমের আধুনিকীকরণের লক্ষ্যে একটি প্রকল্পের জন্য ৬ জুলাই ২০২৪-এ চট্টগ্রামে একটি চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে এক নতুন অধ্যায়ের সাক্ষী হয়। প্রকল্পটি ভারত সরকারের রেয়াতি লাইন অব ক্রেডিট প্রোগ্রামের অধীনে ২৫.৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের (প্রায় ৩০০ কোটি টাকা) ক্রেডিট লাইনের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হচ্ছে।

এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী জনাব মোঃ তাজুল ইসলাম, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র জনাব মোঃ রেজাউল করিম চৌধুরী এবং ভারতীয় হাই কমিশনার প্রণয় ভার্মা।

হাই কমিশনার প্রণয় ভার্মা এই অনুষ্ঠানে তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, প্রকল্পটি চট্টগ্রামের জন্য একটি স্মার্ট সিটি অবকাঠামোর ভিত্তি স্থাপন করবে। তিনি ২০২৪ সালের জুন মাসে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরের সময় স্বাক্ষরিত ‘টেকসই ভবিষ্যতের জন্য ভারত-বাংলাদেশ সবুজ অংশীদারত্ব’-এর লক্ষ্যে একটি শেয়ার্ড ভিশনের ঘোষণার প্রেক্ষাপটে প্রকল্পটির গুরুত্ব তুলে ধরেন।

হাই কমিশনার উন্নয়ন প্রকল্পে পরিবেশ-বান্ধব পদ্ধতির প্রবর্তনের জন্য একটি কাঠামো তৈরির ক্ষেত্রে উভয় দেশের প্রচেষ্টা, একসাথে জ্বালানি-বান্ধব পদক্ষেপের উন্নতিসাধন, জ্বালানির স্বাধীনতা বৃদ্ধি, কার্বন নিঃসরণ হ্রাস, বিদ্যুৎ সঞ্চালন দক্ষতার উন্নয়ন, জ্বালানির সর্বোত্তম ব্যবহার, জ্বালানির অপচয় হ্রাস, টেকসই নগর উন্নয়নের উপায় অন্বেষণ, স্মার্ট আরবান ইনফ্রাস্ট্রাকচার স্থাপন, এবং শহুরে জীবনের মান উন্নত করার ওপর জোর দেন।

হাই কমিশনার প্রকল্পটিকে স্থায়ীত্বের জন্য ভারত ও বাংলাদেশ, উভয়ের অঙ্গীকারের প্রমাণ হিসাবে বর্ণনা করেন এবং আশা প্রকাশ করেন যে এই ধরণের সহযোগিতা সবার জন্য একটি উজ্জ্বল, সবুজ ও আরও সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের পথকে আলোকিত করবে।

এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য হলো পরিবেশ-বান্ধব, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী এলইডি বাতি দিয়ে রাস্তার প্রচলিত বাতিসমূহকে প্রতিস্থাপন করা যা শহরের কার্বন পদচিহ্ন কমাতেও ভূমিকা রাখবে। দীর্ঘ আয়ুষ্কালের সাথে, এই বাতিগুলো রক্ষণাবেক্ষণের ব্যয়ও কমিয়ে দেবে যা খরচ সাশ্রয়ের পাশাপাশি ভালোভাবে আলোকিত রাস্তার মাধ্যমে পাবলিক স্পেসসমূহের নিরাপদ ব্যবহারকে উৎসাহিত করে চট্টগ্রামের বাসিন্দাদের জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধিতে অবদান রাখবে।

চট্টগ্রামের জন্য সিটি স্ট্রিট লাইট সিস্টেমের আধুনিকীকরণের প্রকল্পটি ভারত সরকারের কাছ থেকে প্রাপ্ত ২৫.৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের রেয়াতি ঋণে বাস্তবায়িত হচ্ছে, এবং এতে ২০,৬০০টি এলইডি লাইট ফিটিংস এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি ও সরঞ্জাম ব্যবহার করে শহরের প্রায় ৪৬০ কিলোমিটার রাস্তাকে অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ রয়েছে।

ভারত-বাংলাদেশ উন্নয়ন অংশীদারত্ব চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকায় সিটি স্ট্রিট লাইট সিস্টেমের আধুনিকীকরণের লক্ষ্যে একটি প্রকল্পের জন্য ৬ জুলাই ২০২৪-এ চট্টগ্রামে একটি চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে এক নতুন অধ্যায়ের সাক্ষী হয়। প্রকল্পটি ভারত সরকারের রেয়াতি লাইন অব ক্রেডিট প্রোগ্রামের অধীনে ২৫.৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের (প্রায় ৩০০ কোটি টাকা) ক্রেডিট লাইনের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হচ্ছে।

এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী জনাব মোঃ তাজুল ইসলাম, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র জনাব মোঃ রেজাউল করিম চৌধুরী এবং ভারতীয় হাই কমিশনার প্রণয় ভার্মা।

হাই কমিশনার প্রণয় ভার্মা এই অনুষ্ঠানে তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, প্রকল্পটি চট্টগ্রামের জন্য একটি স্মার্ট সিটি অবকাঠামোর ভিত্তি স্থাপন করবে। তিনি ২০২৪ সালের জুন মাসে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরের সময় স্বাক্ষরিত ‘টেকসই ভবিষ্যতের জন্য ভারত-বাংলাদেশ সবুজ অংশীদারত্ব’-এর লক্ষ্যে একটি শেয়ার্ড ভিশনের ঘোষণার প্রেক্ষাপটে প্রকল্পটির গুরুত্ব তুলে ধরেন।

হাই কমিশনার উন্নয়ন প্রকল্পে পরিবেশ-বান্ধব পদ্ধতির প্রবর্তনের জন্য একটি কাঠামো তৈরির ক্ষেত্রে উভয় দেশের প্রচেষ্টা, একসাথে জ্বালানি-বান্ধব পদক্ষেপের উন্নতিসাধন, জ্বালানির স্বাধীনতা বৃদ্ধি, কার্বন নিঃসরণ হ্রাস, বিদ্যুৎ সঞ্চালন দক্ষতার উন্নয়ন, জ্বালানির সর্বোত্তম ব্যবহার, জ্বালানির অপচয় হ্রাস, টেকসই নগর উন্নয়নের উপায় অন্বেষণ, স্মার্ট আরবান ইনফ্রাস্ট্রাকচার স্থাপন, এবং শহুরে জীবনের মান উন্নত করার ওপর জোর দেন।

হাই কমিশনার প্রকল্পটিকে স্থায়ীত্বের জন্য ভারত ও বাংলাদেশ, উভয়ের অঙ্গীকারের প্রমাণ হিসাবে বর্ণনা করেন এবং আশা প্রকাশ করেন যে এই ধরণের সহযোগিতা সবার জন্য একটি উজ্জ্বল, সবুজ ও আরও সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের পথকে আলোকিত করবে।

এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য হলো পরিবেশ-বান্ধব, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী এলইডি বাতি দিয়ে রাস্তার প্রচলিত বাতিসমূহকে প্রতিস্থাপন করা যা শহরের কার্বন পদচিহ্ন কমাতেও ভূমিকা রাখবে। দীর্ঘ আয়ুষ্কালের সাথে, এই বাতিগুলো রক্ষণাবেক্ষণের ব্যয়ও কমিয়ে দেবে যা খরচ সাশ্রয়ের পাশাপাশি ভালোভাবে আলোকিত রাস্তার মাধ্যমে পাবলিক স্পেসসমূহের নিরাপদ ব্যবহারকে উৎসাহিত করে চট্টগ্রামের বাসিন্দাদের জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধিতে অবদান রাখবে।

চট্টগ্রামের জন্য সিটি স্ট্রিট লাইট সিস্টেমের আধুনিকীকরণের প্রকল্পটি ভারত সরকারের কাছ থেকে প্রাপ্ত ২৫.৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের রেয়াতি ঋণে বাস্তবায়িত হচ্ছে, এবং এতে ২০,৬০০টি এলইডি লাইট ফিটিংস এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি ও সরঞ্জাম ব্যবহার করে শহরের প্রায় ৪৬০ কিলোমিটার রাস্তাকে অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ রয়েছে।

November 2026
S S M T W T F
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930