• ২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি
আগুনবেলা

ভাটারা হতে অপহৃত ফল ব্যবসায়ী উদ্ধার; ভাটারা থানা পুলিশ কর্তৃক পাঁচ অপহরণকারী গ্রেফতার

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত জুলাই ২৭, ২০২৫
ভাটারা হতে অপহৃত ফল ব্যবসায়ী উদ্ধার; ভাটারা থানা পুলিশ কর্তৃক পাঁচ অপহরণকারী গ্রেফতার

ডিএমপি’র ভাটারা হতে অপহৃত ফল ব্যবসায়ী জাকির হোসেন (৫৫)-কে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধারসহ অপহরণকারী চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ডিএমপির ভাটারা থানা পুলিশ।

গ্রেফতারকৃতরা হলো- ১। মোহাম্মদ তারিক শাফিন (২৩) ২। কে এম ইসলাম (৩০) ৩। তানভীর রহমান স্বাধীন (২২) ৪। মোঃ আল নোমান (২২) এবং ৫। মোঃ শিপন চৌধুরী (২২) ।

ভাটারা থানা সূত্রে জানা যায়, জাকির হোসেন বসুন্ধরা গেইটের সামনে লন্ডন একরাম টাওয়ারের পাশে ভাই ভাই ফল ভান্ডার নামে ফলের দোকান পরিচালনা করেন। গত ২৪ জুলাই ২০২৫, রাত আনুমানিক ৩:৩০ ঘটিকায় কাওরান বাজার থেকে ফল ক্রয় করে দোকানে মাল গোছানোর সময় ১৮/২০ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি ১০-১২টি মোটরসাইকেলে এসে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে জাকির হোসেনকে জোরপূর্বক অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে, ২৪ জুলাই দুপুর ১২:০০ ঘটিকায় অপহরণকারীরা জাকির হোসেনের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে ফোন করে তার স্ত্রীর কাছে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে এবং না দিলে তাকে হত্যার হুমকি দেয়। জাকির হোসেনের স্ত্রী তাসলিমা আক্তার ৫ লাখ টাকা দিতে রাজি হন এবং একই দিন দুপুর ১:০০ ঘটিকায় বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার টপটেন দোকানের সামনে ৫ লাখ টাকা প্রদান করেন। এরপর আরও ২ লাখ টাকা দাবি করে। ২৫ জুলাই বেলা ১১:০০ ঘটিকায় তাসলিমা আক্তার অতিরিক্ত ২ লাখ টাকা প্রদান করেন, কিন্তু তবুও অপহরণকারীরা জাকির হোসেনকে ছাড়েনি। পরবর্তীতে ২৫ জুলাই ২০২৫, রাত ০৮:৩০ ঘটিকায় তাসলিমা আক্তারের অভিযোগের ভিত্তিতে ভাটারা থানায় একটি মামলা রুজু হয় ।

ভাটারা থানা সূত্রে আরও জানা যায়, মামলা রুজুর পরপরই ভাটারা থানা পুলিশের একটি চৌকস টিম তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান পরিচালনা করে শুক্রবার (২৫ জুলাই ২০২৫ খ্রি.) রাত ১১:৩০ ঘটিকায় বেইলি রোডস্থ অফিসার্স ক্লাবের সামনে থেকে ভিকটিম জাকির হোসেনকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে। পরবর্তীতে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে অপহরণকারী চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃতদের হেফাজত হতে অপহরণের কাজে ব্যবহৃত দুটি মোটরসাইকেল এবং মুক্তিপণের নগদ ২ লাখ ৫৭ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পলাতক অন্যান্যদের গ্রেফতারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।