• ২৫শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১১ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ১০ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি
আগুনবেলা

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে দুইদিনব্যাপী বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত জুন ১৭, ২০২৬
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে দুইদিনব্যাপী বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আজ বুধবার থেকে দুইদিনব্যাপী ‘ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন পাওয়ার, ইলেকট্রনিক্স, কমিউনিকেশনস, কম্পিউটিং এন্ড ইনটিলিজেন্স ইনফ্রাস্টাকচার -২০২৬’ শীর্ষক সম্মেলন শুরু হয়েছে। এতে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের গবেষক, বিজ্ঞানী, শিল্প বিশেষজ্ঞ, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করছেন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবটিকস, পাওয়ার ও এনার্জি সিষ্টেম, যোগাযোগ প্রযুক্তি, নেটওয়ার্কস এবং নিরাপত্তা, স্মার্ট টেকনোলজি অবকাঠামো এন্ড এ্যাডভান্স ইলেকট্রনিকস. ভিএলএসআই এন্ড ইমব্রেডেড সিষ্টেম এর মতো সমসাময়িক ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপনা করা হয়। প্রথমদিনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাপানের আইজু বিশ^বিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. জুংপিল শিন। প্রথম দিনে শতাধিক গবেষক ১৮০টি প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। দুই দিনে মোট ৩৯ সেশনে ৩০৮টি গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ- আল- মামুন বলেন, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে শিক্ষার উন্নতি, মানব সম্পদের মানোন্নয়ন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির দক্ষতার উপর। সরকার দক্ষ মানব সম্পদ গড়ার উপর জোর দিচ্ছে। সেজন্য বর্তমান সরকার শিক্ষা খাতে ৫৬শতাংশ বাজেট বাড়িয়েছে। সরকার শিক্ষার্থীদের তৃতীয় ভাষা শিক্ষার উপর গুরুত্ব দিচ্ছেন। শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার পাশাপাশি আয়ের উৎস তৈরি করার জন্য স্মার্ট সিটি গড়ে তুলছে। সৃজনশীল অর্থনীতিতে এই প্রথম বাজেটে টাকা রাখা হয়েছে। উদ্ভাবনী শক্তি দিয়ে সরকারের সফলতা মানুষের কাছে পৌছে দিতে হবে। এই ধরনের সম্মেলনের মধ্য দিয়ে সারা বিশে^র গবেষকদের সাথে আমাদের শিক্ষার্থী-গবেষকদের সেতুবন্ধন রচিত হবে। শিক্ষার্থীরা নতুন নতুন গবেষণায় উদ্বুদ্ধ হবেন। শিক্ষার টেকসই উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন কাজ করছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও সম্মেলনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহাঃ শামীম বলেন, জ্ঞান সৃষ্টির প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিশ^বিদ্যালয়ের দায়িত্ব শুধু ভবিষ্যত প্রজম্মকে শিক্ষিত করাই নয় সামাজিক প্রতিবন্ধকতারও সমাধান করা। মানবজাতি অভূতপূর্ব রুপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এই রুপান্তরে বিশ^বিদ্যালয়কে একটি কেন্দ্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। আমাদের মত নবীন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের জন্য প্রযুক্তির এই রুপান্তরে কাজ করার বড় সুযোগ হয়েছে। এই সুযোগ কাজ লাগাতে হবে। সে জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে। গবেষণা হয় কৌতুহল থেকে, সহযোগিতার মাধ্যমে তা বিকশিত হয় এবং প্রভাব সৃষ্টি করে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার সংস্কৃতি গড়ে তোলা হবে।
তিনি আরও বলেন, এই ধরনের সম্মেলনে পন্ডিতদের সাথে আমাদের তরুন শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মতবিনিময়ের মূল্যবান সুযোগ সৃষ্টি করেছে। এখান থেকে গবেষণার মিথস্ক্রিয়া, নতুন ধারণা, গবেষণার দিক নির্দেশনা পেয়ে তরুণ গবেষক ও শিক্ষার্থীরা উদ্বুদ্ধ হয়ে গবেষণায় আরও বেশি মনোনিবেশ করবেন।

ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. শামীম আহসান,বুয়েটের অধ্যাপক ড. শেখ আনোয়ারুল ফাত্তাহ, অধ্যাপক ড.সিলিয়া শাহনাজ, অধ্যাপক ড.মো. ইমামুল হাসান ভুইয়া ও সম্মেলন আয়োজক কমিটির আহবায়ক ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিক অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. নাজমুল হোসেন।
আগামীকাল বৃহস্পতিবার সম্মেলনের দ্বিতীয় তথা সমাপনি দিনে শতাধিক দেশি-বিদেশী গবেষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন।

June 2026
S S M T W T F
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930