ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘এমক্যাশ’ রিব্র্যান্ডিংয়ের মাধ্যমে নতুন কলেবরে যাত্রা শুরু করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর প্রধান অতিথি হিসেবে ১১ জানুয়ারি ২০২৬, রবিবার ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে দেশের প্রথম ইসলামী মোবাইল ব্যাংকিং ‘এমক্যাশ’-এর রিব্র্যান্ডিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
ব্যাংকের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম. জুবায়ের রহমান-এর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর আরিফ হোসেন খান। স্বাগত বক্তব্য দেন ইসলামী ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ।
অনুষ্ঠানে ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ খুরশীদ ওয়াহাব, অডিট কমিটির চেয়ারম্যান মো. আব্দুস সালাম, এক্সিকিউটিভ কমিটির সদস্যবৃন্দ, রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম. মাসুদ রহমান, স্বতন্ত্র পরিচালক মো. আব্দুল জলিলসহ ঊর্ধ্বতন নির্বাহী ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রযুক্তি ও আধুনিক ব্যাংকিংয়ের সমন্বয়ে ‘এমক্যাশ’ সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন লেনদেনকে নিরাপদ, দ্রুত ও সহজ করেছে। এমক্যাশ থেকে এমক্যাশে সেন্ড মানির ক্ষেত্রে কোনো ফি নেই এবং ক্যাশআউট চার্জ প্রতি হাজারে মাত্র ১৩.৯০ টাকা।
ইসলামী ব্যাংকের যেকোনো শাখা, উপশাখা ও এজেন্ট থেকে উত্তোলনের ক্ষেত্রে ক্যাশআউট চার্জ প্রতি হাজারে মাত্র ৭ টাকা। বিদেশ থেকে রেমিট্যান্সের টাকা সরাসরি এমক্যাশে গ্রহণ করা যায় এবং তা সঙ্গে সঙ্গে জমা হয়। রেমিট্যান্সের ক্যাশআউট চার্জ প্রতি হাজারে মাত্র ৭ টাকা।
যেকোনো ভিসা বা মাস্টারকার্ড থেকে প্রতি হাজারে মাত্র ৫ টাকা খরচে অ্যাড মানি করা যায়। এমক্যাশের মাধ্যমে বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি বিলসহ বিভিন্ন বিল পরিশোধ এবং মোবাইল রিচার্জ করা যায়।
এছাড়াও এমক্যাশের মাধ্যমে সমাজসেবা অধিদপ্তরের বিভিন্ন ভাতা যেমন—বয়স্ক ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, শিক্ষা উপবৃত্তি ও বিধবা ভাতাসহ অন্যান্য ভাতা গ্রহণ করা যায়। অনেক প্রতিষ্ঠান তাদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন এমক্যাশের মাধ্যমে সরাসরি প্রদান করছে।
গ্রাহকরা দেশজুড়ে বিস্তৃত এমক্যাশ এজেন্ট পয়েন্ট, ইসলামী ব্যাংকের সকল শাখা, উপশাখা, ব্যাংকিং আউটলেট এবং ব্যাংকের নিজস্ব এটিএম ও সিআরএম বুথ থেকে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা টাকা জমা ও উত্তোলন করতে পারছেন।