‘হজ ও ওমরাহ ফেয়ার ২০২৬’: প্রিমিয়াম সেবা ও শতভাগ সততার অঙ্গীকার নিয়ে এন.জেড ফাউন্ডেশন ও হজ মিশন
রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র) শুরু হওয়া ‘হজ ও ওমরাহ ফেয়ার ২০২৬’-এ অংশগ্রহণ করেছে দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ও সুনামধন্য সেবা সংস্থা এন.জেড ফাউন্ডেশন ও হজ মিশন। মেলার বিশেষ সাক্ষাৎকার পর্বে প্রতিষ্ঠানের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার (সিইও) মো. সোলাইমান প্রিমিয়াম হজ সার্ভিস এবং হাজীদের সার্বিক সেবায় তাদের বিশেষ ও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) মেলা প্রাঙ্গণে আয়োজিত সাক্ষাৎকারে এন.জেড ফাউন্ডেশনের সিইও মো. সোলাইমান জানান, তাদের প্রতিষ্ঠানে মানসম্মত ও আরামদায়ক প্রিমিয়াম প্যাকেজের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়। তিনি বলেন,
“আমাদের হজ প্যাকেজ শুরু হয় সাড়ে ৭ লাখ ও সাড়ে ৯ লাখ টাকা থেকে, যা সেবার মান ভেদে ক্রমান্বয়ে ১১ লাখ, ১৮ লাখ এবং ২২ লাখ টাকা পর্যন্ত বিস্তৃত। হাজীরা যেন কোনো ধরনের শারীরিক বা মানসিক কষ্ট ছাড়াই সম্পূর্ণ স্বাচ্ছন্দ্যে এবাদত-বন্দেগী সম্পন্ন করতে পারেন, সেটিই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, মক্কা ও মদিনা—উভয় পবিত্র স্থানেই এন.জেড ফাউন্ডেশনের নির্ধারিত হোটেলগুলো অত্যন্ত কাছে অবস্থিত। ফলে হাজীরা মাত্র ৩ মিনিটের মধ্যে হারাম শরীফে প্রবেশ করে সালাত আদায় ও অন্যান্য এবাদত সম্পন্ন করতে পারবেন।
অন্যান্য এজেন্সির তুলনায় এন.জেড ফাউন্ডেশনের সততা ও স্বকীয়তার বিষয়ে সোলাইমান জোর দিয়ে বলেন,
“আমরা শতভাগ কমিটমেন্ট রক্ষায় বিশ্বাসী। কোনো লোকদেখানো প্রচার কিংবা নিম্নমানের সার্ভিস দিয়ে হাজীদের কষ্ট দেওয়া আমাদের উদ্দেশ্য নয়। একটি মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে যতটুকু ব্যয়ের প্রয়োজন, আমরা যুক্তিসঙ্গতভাবে সেটাই নির্ধারণ করি এবং শতভাগ প্রতিশ্রুত সেবা প্রদান নিশ্চিত করি।”
দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও আগামী হজ মৌসুম প্রসঙ্গে আশাবাদ ব্যক্ত করে সিইও বলেন, নতুন সরকারের মেয়াদে বিগত বছরগুলোর তুলনায় আরও সুষ্ঠু, সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে হজ পরিচালিত হবে এবং এ বছর হাজী নিবন্ধনের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।
সংবাদ বার্তায় ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং হাব (HAAB)-এর প্রতি বিশেষ আহ্বান জানিয়ে মো. সোলাইমান বলেন,
“যাদের বৈধ হজ লাইসেন্স নেই, তারা যেন কোনো অবস্থাতেই হজের কোনো কার্যক্রম পরিচালনা করতে না পারে—এ বিষয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয় এবং হাব-কে কঠোর তদারকি ও তড়িৎ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করার জোরালো দাবি জানাচ্ছি।”
এন.জেড ফাউন্ডেশন ও হজ মিশন দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে, সরকারের সঠিক দিকনির্দেশনা এবং কর্তৃপক্ষের কঠোর নজরদারির মাধ্যমে সাধারণ হজযাত্রীরা প্রতারণার হাত থেকে রক্ষা পাবেন এবং পূর্ণ প্রশান্তির সাথে পবিত্র হজ ও ওমরাহ পালন করতে পারবেন।