আন্তর্জাতিক মানের ১,০০০ শয্যার বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগ, শেয়ারে অংশগ্রহণের সুযোগ
আন্তর্জাতিক মানের ১,০০০ শয্যার বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগ, শেয়ারে অংশগ্রহণের সুযোগ
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬
দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে রাজধানীতে ১,০০০ শয্যাবিশিষ্ট আন্তর্জাতিক মানের একটি বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। হাসপাতালটিতে ১১টি বিশেষায়িত ইউনিট ও ২৫টি বিভাগ থাকবে। পাশাপাশি আইসিইউ, সিসিইউ ও এনআইসিইউসহ মোট ১১৫টি ক্রিটিক্যাল কেয়ার বেডের ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, হাসপাতালে ১০টি ভিআইপি ও ভিভিআইপি কেবিনও থাকবে। আধুনিক ও বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার মাধ্যমে দেশের রোগীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশমুখিতা কমানোই এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।হাসপাতালে রোগী ও অ্যাম্বুলেন্সের দ্রুত যাতায়াতের সুবিধার্থে লেকের ওপর একটি বিশেষ ব্রিজ নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষ, নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও উচ্চ-মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে বিশেষ কল্যাণ তহবিল ও সহজ কিস্তি সুবিধা রাখার কথা জানানো হয়েছে। প্রকল্পে বিনিয়োগকারীদের জন্য বিভিন্ন সুবিধার কথাও তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে ২০টির বেশি শেয়ার গ্রহণকারী বিনিয়োগকারীদের স্থায়ী পরিচালক পদ দেওয়ার সুযোগ রয়েছে বলে প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
এ ছাড়া প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের দাবি, অন্যান্য প্রচলিত বাণিজ্যিক বিনিয়োগের তুলনায় স্বাস্থ্যসেবা খাতে দীর্ঘমেয়াদে উল্লেখযোগ্য মুনাফার সম্ভাবনা রয়েছে। ৫৫ লাখ টাকা মূল্যের শেয়ার বুকিং ও কিস্তির মাধ্যমে গ্রহণের সুযোগ রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের ধারণা, প্রকল্পের অগ্রগতি ও বাজারমূল্যের ওপর ভিত্তি করে আগামী পাঁচ বছরে এই শেয়ারের মূল্য দুই থেকে তিন কোটি টাকা পর্যন্ত উন্নীত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা আরও জানান, প্রায় সাড়ে তিন থেকে চার বছরের মধ্যে ডায়াগনস্টিক সেন্টার চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। সেটি চালু হলে শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হতে পারে।
ক্রয়কৃত শেয়ার স্থায়ী ও বংশানুক্রমিকভাবে হস্তান্তরের সুযোগ থাকবে বলেও জানানো হয়েছে। পাশাপাশি শেয়ারহোল্ডাররা হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণের ক্ষেত্রে বিশেষ ছাড় ও ভিআইপি মর্যাদা পাবেন। প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের মতে, এটি শুধু একটি বিনিয়োগ প্রকল্প নয়; একই সঙ্গে দেশের মানুষের জন্য উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার একটি সামাজিক উদ্যোগ। লাভজনক বিনিয়োগের পাশাপাশি মানবসেবায় অংশগ্রহণের সুযোগ হিসেবে সর্বস্তরের মানুষকে এ প্রকল্পে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।