পোশাক খাত থেকে নির্বাচিত মন্ত্রী-এমপিদের বিজিএমইএ’র সংবর্ধনা: রফতানি বহুমুখীকরণে নীতিনির্ধারণী সহায়তার আহ্বান
পোশাক খাত থেকে নির্বাচিত মন্ত্রী-এমপিদের বিজিএমইএ’র সংবর্ধনা: রফতানি বহুমুখীকরণে নীতিনির্ধারণী সহায়তার আহ্বান
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬
রাজীব দে ঢাকা:
রাজধানীর আর্মি গলফ ক্লাবে আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানে পোশাক শিল্প পরিবার থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা ও সংসদ সদস্যদের সংবর্ধনা দিয়েছে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাসহ মোট ১৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে এই সম্মাননা জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, পোশাক শিল্প বর্তমানে বাংলাদেশের অর্থনীতির ‘লাইফলাইন’। তিনি নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন: “আপনারা জাতীয় সংসদে নিজ নিজ এলাকার উন্নয়ন ও জাতীয় ইস্যুর পাশাপাশি শিল্পখাতের সমস্যা ও সম্ভাবনাগুলোও তুলে ধরবেন। আমাদের লক্ষ্য কেবল পোশাক শিল্পে সীমাবদ্ধ থাকা নয়; বরং ‘এক্সপোর্ট বাস্কেট ডাইভারসিফিকেশন’ বা রফতানি পণ্য বহুমুখীকরণে কার্যকর ও গ্রহণযোগ্য নীতি প্রণয়নে আপনাদের সক্রিয় ভূমিকা একান্ত কাম্য।”
বিজিএমইএর প্রথম সহ-সভাপতি সেলিম রহমান তার বক্তব্যে বলেন, নির্বাচিত প্রতিনিধিদের অভিজ্ঞতা জাতীয় সংসদে শিল্প ও বাণিজ্যবান্ধব নীতি প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি বিদ্যমান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নীতিনির্ধারকদের সহযোগিতা প্রার্থনা করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধানত যাদের সম্মাননা প্রদান করা হয়: মন্ত্রী: খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর (শিল্প, বাণিজ্য ও পাট ও বস্ত্র), আফরোজা খানম (বেসামরিক বিমান ও পর্যটন), জাকারিয়া তাহের (গৃহায়ন ও গণপূর্ত)। প্রতিমন্ত্রী: শামা ওবায়েদ ইসলাম (পররাষ্ট্র), মো. শরীফুল আলম (শিল্প, বস্ত্র ও পাট), আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর (গৃহায়ন ও গণপূর্ত)। উপদেষ্টা: মাহদী আমিন (প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা)। সংসদ সদস্য: জয়নুল আবদিন ফারুক, এরশাদ উল্লাহ, এস এম ফয়সল, মো. খালেদ হোসেন মাহবুব, মো. আবুল কালাম, মো. লুৎফর রহমান, মোহাম্মদ জাকির হোসেন, মো. আব্দুল্লাহ, মো. আবদুল হান্নান ও মো. শাহাদাত হোসেন।
অনুষ্ঠানে বিজিএমইএ নেতৃবৃন্দ পোশাক শিল্পের বিকাশে তিনটি প্রধান বিষয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন: ব্যবসায়িক খরচ হ্রাস: ‘কস্ট অব ডুইং বিজনেস’ কমিয়ে বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা। সহজীকরণ: ‘ইজ অব ডুইং বিজনেস’ নিশ্চিত করতে প্রশাসনিক জটিলতা দ্রুত নিরসন। সমন্বিত নীতি: বস্ত্র ও পোশাক খাতের সমস্যাগুলোর দ্রুত ও ন্যায়সঙ্গত সমাধানের জন্য নীতিনির্ধারণী উদ্যোগ।
বিজিএমইএ আশা প্রকাশ করে যে, পোশাক খাতের সঙ্গে সম্পৃক্ত এই জনপ্রতিনিধিরা সংসদে শিল্পের স্বার্থ রক্ষায় এবং দেশের রফতানি সক্ষমতা জোরদারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবেন।