• ২৮শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১৩ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ১৪ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি
আগুনবেলা

২৯ তম জাতীয় কারাতে প্রতিযোগিতা- ২০২৫ এর পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত মে ১১, ২০২৫
২৯ তম জাতীয় কারাতে প্রতিযোগিতা- ২০২৫ এর পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

আজ (রবিবার) মিরপুরস্থ শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে ২৯ তম জাতীয় কারাতে প্রতিযোগিতা-২০২৫ এর বিজয়ীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

এ সময় উপদেষ্টা বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে, এই পঠ পরিবর্তনের ছোঁয়া ক্রীড়াঙ্গনে লেগেছিল। যার ফলে মাঝে কিছুটা সময় ক্রীড়াক্ষেত্রে স্থবিরতা ছিল। বর্তমানে ক্রীড়াঙ্গনকে সক্রীয় করতে মন্ত্রণালয় বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহন করেছে। বিভিন্ন ফেডারেশনে এ্যডহোক কমিটি গঠনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সারাদেশে বিভাগীয় ,জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ক্রীড়া সংস্থাগুলো ভেঙে দেওয়া হয়েছিল; সেগুলো পুনর্গঠনে কার্যক্রম চলমান আছে। আমরা এখন একটা পর্যায়ে এসে পৌঁছেছি যেখানে ক্রীড়া ফেডারেশন এবং সংস্থাগুলো পূর্ণরূপে কার্যক্রম শুরু করেছে। ক্রীড়াক্ষেত্র আবারো পুনর্জীবিত হচ্ছে।

উপদেষ্টা আরো বলেন, খেলাধুলা সমাজ থেকে বিশেষ করে তরুণ সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখে এবং একটি সুন্দর জীবন গড়তে সহায়তা করে। স্পোর্টস সেক্টরে বাজেটের কিছু স্বল্পতা রয়েছে, তবে ক্রীড়াক্ষেত্রে বাজেট বৃদ্ধির চেষ্টা করা হচ্ছে যার সুষ্ঠু বন্টনের মাধ্যমে ক্রীড়াক্ষেত্রগুলোকে প্রমোট করা সম্ভব হবে। এসময় তিনি বিভিন্ন কর্পোরেশন ও ব্যবসায়ীদের স্পোর্ট সেক্টরে বিনিয়োগ করার আহ্বান জানান। আমাদের তরুণ প্রজন্ম যদি সুন্দর করে গড়ে উঠতে পারে তবে আমরা একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গড়তে পারবো বলে আশা আশা ব্যক্ত করেন।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশনের তত্ত্বাবধানে ০৯-১১ মে ২০২৫ তারিখ শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়াম, মিরপুর, ঢাকায় তিনদিন ব্যাপী “২৯তম জাতীয় কারাতে প্রতিযোগিতা-২০২৫” শুরু হয়। প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন জেলা ক্রীড়া সংস্থা, বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা, বিশ্ববিদ্যালয় ও সার্ভিসেস সংস্থার ৮৭ টি দলের ২১ টি ওজন শ্রেণিতে খেলোয়াড় পুরুষ ৫১৭ জন, মহিলা ২২৩ জন, বিভিন্ন সংস্থার ম্যানেজার ও কোচ ২৬১ জন এবং ও ম্যাটের জন্য রেফারি/জাজ ৮০ জন সর্বমোট ১০৮১ জন অংশগ্রহণ করেন।