• ২৬শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১১ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ১২ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি
আগুনবেলা

সিএসইতে “বিএসইসি (পাবলিক অফার অফ ইকুইটি সিকিউরিটিজ) রুলস, ২০২৫: ইটস ইমপ্যাক্ট অ্যান্ড ওয়ে ফরওয়ার্ড” বিষয়ক কর্মশালা আয়োজিত

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬
সিএসইতে “বিএসইসি (পাবলিক অফার অফ ইকুইটি সিকিউরিটিজ) রুলস, ২০২৫: ইটস ইমপ্যাক্ট অ্যান্ড ওয়ে ফরওয়ার্ড” বিষয়ক কর্মশালা আয়োজিত

আজ চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসি (সিএসই)-র চট্টগ্রামস্থ প্রধান কার্যালয়ে “BSEC (Public Offer of Equity Securities) Rules, 2025: Its Impact and Way Forward” শীর্ষক একটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ও তালিকাভুক্তি প্রত্যাশী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে এই কর্মশালাটি সম্পন্ন হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর জনাব ড. মো: ইকবাল হোসাইন ডিবিএ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ইউসিবি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের ভিপি এন্ড সিনিয়র ম্যানেজার জনাব এইচ এ মামুন ও জনাব মো: খালেদ হাসান। সিএসইর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব এম সাইফুর রহমান মজুমদার, এফসিএ, এফসিএমএ এবং চিফ রেগুলেটরি অফিসার জনাব মোহাম্মদ মাহাদি হাসান, সিএফএ সহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

সিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব এম সাইফুর রহমান মজুমদার তার বক্তব্যে বলেন, “বিএসইসির পাবলিক অফার অফ ইকুইটি সিকিউরিটিজ রুলসে সাম্প্রতিক কিছু পরিবর্তন এসেছে যা পুঁজিবাজারের ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই নতুন আইনের ফলে কোম্পানিগুলোর তালিকাভুক্তি প্রক্রিয়া আগের চেয়ে স্বচ্ছ ও সহজতর হবে। আমরা আশা করি চট্টগ্রামভিত্তিক কোম্পানিগুলো পুঁজিবাজার থেকে দীর্ঘমেয়াদী মূলধন সংগ্রহে আরও আগ্রহী হবে, যা বর্তমান ব্যাংকিং খাতের তারল্য সংকট মোকাবিলায় সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।”

জনাব ড. মো: ইকবাল হোসাইন তার মূল প্রবন্ধে নতুন আইনের প্রায়োগিক দিক এবং পূর্ববর্তী আইনের সাথে এর মূল পার্থক্যগুলো বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, নতুন আইন অনুযায়ী রিকোয়ারমেন্টস পূরণ করলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে কোম্পানিগুলো তালিকাভুক্ত হতে পারবে।

ইউসিবি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের প্রতিনিধিরা তাদের উপস্থাপনায় পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির সুফল এবং ইস্যু ম্যানেজারদের সার্বিক সহযোগিতার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন।

সবশেষে সমাপনী বক্তব্যে সিএসইর চিফ রেগুলেটরি অফিসার জনাব মোহাম্মদ মাহাদি হাসান বলেন, “তালিকাভুক্তি পদ্ধতি সহজ করার জন্য সম্প্রতি স্টক এক্সচেঞ্জগুলোকে অনুমোদন দেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। সিএসইর দক্ষ টিম লিস্টিং প্রক্রিয়া নিরবচ্ছিন্ন রাখতে সব সময় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

কর্মশালাটি নতুন পাবলিক ইস্যু রুলসের মাধ্যমে পুঁজিবাজারে শক্তিশালী ও ফান্ডামেন্টাল কোম্পানিগুলোকে আনার আশাবাদ ব্যক্ত করে শেষ হয়।