রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব) এর আগামী ১৮ এপ্রিলের নির্বাচনকে ঘিরে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ তুলেছেন ৪ জন প্রেসিডেন্ট প্রার্থীর মধ্যে ৩ জনই। ১৬ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) জাতীয় প্রেস ক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তারা এই অভিযোগ জানান।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ড. মো. আলী আফজাল**, মোকাররম হোসাইন খান এবং ইঞ্জিনিয়ার মো. আবুল খায়ের সেলিম**। তিন প্রার্থীর পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন প্রগতিশীল আবাসন ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদ প্যানেলের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ড. আলী আফজাল।
লিখিত বক্তব্যে ড. আলী আফজাল বলেন, “নির্বাচন স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ করার জন্য আমরা কিছু জরুরি পদক্ষেপের প্রস্তাব দিলেও নির্বাচন কমিশন তাতে কোনো কর্ণপাত করছে না।” নির্বাচনকে প্রশ্নাতীত করতে সংবাদ সম্মেলনে কয়েক দফা দাবি পেশ করা হয়:স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ:ভোট গ্রহণের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সকল প্রার্থী ও পোলিং এজেন্টদের কেন্দ্রে থাকার ব্যবস্থা করতে হবে। ব্যালট পেপারের বই, সংখ্যা ও নাম্বার প্রার্থীদের সামনে যাচাই করতে হবে।
ভোট কাস্টিং যাচাই: ভোটারদের ব্যালট নেওয়ার সময় স্বাক্ষর ও টিপসই নিশ্চিত করতে হবে। ভোট শেষে ব্যালট বইয়ের মুড়ি ও কমিশনের হিসাব মিলিয়ে মোট কাস্টিং ভোটের সংখ্যা নির্ধারণ করতে হবে।
গণনা ও মনিটরিং: ভোট গণনার আগে ব্যালট বাক্সের ভোটের সাথে কাস্টিং ভোটের কোনো তারতম্য আছে কি না তা মিলিয়ে নিতে হবে। এছাড়া কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে এর লাইভ ফুটেজ বাইরে প্রজেকশনের মাধ্যমে দেখানোর ব্যবস্থা করতে হবে।
ফলাফল ও সংরক্ষণ: গণনা শেষে রেজাল্ট শিটে কমিশন ও উপস্থিত এজেন্টদের স্বাক্ষর থাকতে হবে। এছাড়া ভবিষ্যতে প্রয়োজনে পুনর্গননা বা ভেরিফিকেশনের জন্য ব্যবহৃত ব্যালটগুলো নষ্ট না করে যথাযথভাবে সংরক্ষণ করতে হবে।
বক্তারা জোর দিয়ে বলেন, রিহ্যাব একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক সংগঠন এবং এর নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া অবশ্যই স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য হতে হবে। তারা সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে নির্বাচন কমিশনের সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করেন।