রাজধানীর কুড়িলে অবস্থিত ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) শুরু হওয়া সপ্তম ‘পেপারটেক এক্সপো ২০২৬’-এ নিজেদের অত্যাধুনিক ও উদ্ভাবনী পণ্য প্রদর্শনীর মাধ্যমে দর্শনার্থীদের নজর কেড়েছে দেশীয় পেপার খাতের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা পেপার মিলস লিমিটেড (বিপিএমএল)। মেলায় প্রতিষ্ঠানটি তাদের নতুন সংযোজন থার্মাল ও সাব্লিমেশন পেপারসহ প্রায় ১০০ ধরনের কাগজের বৈচিত্র্য নিয়ে হাজির হয়েছে।বসুন্ধরা পেপার মিলস লিমিটেড দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশের কাগজের বাজারে নেতৃত্ব দিচ্ছে। এবারের মেলায় তাদের স্টলে টিস্যু, আনকোটেড উড-ফ্রি পেপার, স্পেশালিটি পেপার, প্যাকিং পেপার, এ৪ পেপার এবং উন্নত মানের এক্সারসাইজ বুক ও নোটবুকের বিশাল সংগ্রহ প্রদর্শিত হচ্ছে। বিশেষ করে, থার্মাল ও সাব্লিমেশন পেপারের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটির সক্ষমতা দেশের মুদ্রণ শিল্পে নতুন বিপ্লব আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।বিপিএমএল বাংলাদেশের একমাত্র কাগজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে ISO এবং FSC-CoC সনদপ্রাপ্ত।
প্রতিষ্ঠানটির প্রতিটি প্রোডাকশন ইউনিট পরিবেশবান্ধব এবং উন্নত মানের এফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (ETP) দ্বারা পরিচালিত। এছাড়া, বিশ্বমানের অপারেশনাল দক্ষতার জন্য এখানে SAP-এর মতো আধুনিক ERP সলিউশন ব্যবহার করা হচ্ছে।মেলায় আগত দর্শনার্থীরা বিপিএমএল-এর অর্জিত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও জাতীয় স্বীকৃতি সম্পর্কে জানার সুযোগ পাচ্ছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ‘এশিয়া’স গ্রেটেস্ট ব্র্যান্ডস অ্যান্ড লিডারস (২০২০-২১)’, টানা কয়েক বছর ধরে প্রাপ্ত ‘বেস্ট ব্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ড’ এবং ‘সুপারব্র্যান্ডস’ সম্মাননা।মেলায় উপস্থিত কর্মকর্তারা জানান, বসুন্ধরা পেপার মিলস কেবল স্থানীয় চাহিদাই পূরণ করছে না, বরং বৈশ্বিক টিস্যু ও পেপার মার্কেটে বাংলাদেশের শক্ত অবস্থান তৈরি করতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।
পেপারটেক এক্সপোতে তাদের এই অংশগ্রহণ দেশীয় কাগজের শিল্পকে বিশ্বদরবারে নতুন করে পরিচিত করার একটি প্রয়াস।উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও মেলা চলাকালীন স্টলে উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা গ্রুপের সিনিয়র ডিএমডি মোস্তাফিজুর রহমান, সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবালের জিএম (মার্কেটিং) মোহাম্মদ আলাউদ্দিন, সিএসও মাসুদুর রহমান, এসবিজি-র ডেপুটি ম্যানেজার (মার্কেটিং) মোহাম্মদ সাঈদ হোসেন এবং সিনিয়র এক্সিকিউটিভ (মার্কেটিং) মো. রাশেদুল ইসলামসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
উল্লেখ্য, মেলার শুরু থেকেই বসুন্ধরা পেপার মিলসের স্টলটি ব্যবসায়ী ও সাধারণ দর্শনার্থীদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।