মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রতিটি জেলায় প্রশাসনের সাথে ভিডিও কনফারেন্সে মিটিং করেন। আলোচ্য বিষয়ঃ কিভাবে এই করোনা মহামারীকে মোকাবিলা করা যায়। বিভিন্ন জেলায় তাদের এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন দেন। এই কার্যক্রমের অংশ হিসাবে কক্সবাজারেও তিনি ভিডিও কনফারেন্স করেন। এতে তিনি জেলা প্রশাসন সহ সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে করোনা মোকাবিলায় সম্ভাব্য প্রস্তুতি সম্পর্কে আলোচনা করেন। এরই প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী জানতে চান, কক্সবাজার জেলায় এ বিষয়ে কি কি জিনিসের প্রয়োজন আছে। হঠাৎ প্রতি উত্তরে ততকালীন মেয়র মুজিবুর রহমান বুল্ড ডোজার চেয়ে বসেন। অনুরোধ করেন উনার বুল্ড ডোজার ভীষণ প্রয়োজন। অনেকে এটা নিয়ে হাসাহাসি করলেও পরে চিন্তা করলাম এটাকে পজেটিভলি নিতে পারি , যেখানে চিকিৎসক , চিকিৎসা বিজ্ঞানীদেরও করোনা সম্পর্কে তেমন কোন ধারণা নাই , সেখানে একজন সাধারণ মানুষ ত অনেক দূরের কথা , অনেকে জ্ঞানী মানুষও এ বিষয়ে জানে না। মেয়র মুজিবুর রহমান ত বুল্ড ডোজার চাইতেই পারে কারণ তার কাঁধে রয়েছে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়ন এর দ্বায়িত্বভার। সব চিন্তা যেন উনার। ৩বছর করোনা সহ শত বাধা উপেক্ষা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিয়োজিত কর্মী হিসাবে উনি উনার মেয়াদে কক্সবাজার পৌরসভার জন্য এ যা করেছেন উনার পূর্ণ মেয়াদে ভাল হয়ত মাত্র ২ বছর কাজ করতে পেরেছেন তারমধ্য এর পূর্বে কেউ কক্সবাজার পৌর বাসীর জন্য কিছু করেছে বলে আমার জানা নেই। বর্তমান পৌরসভার উন্নয়ন এর সুফল আমরা এখন ভোগ করছি।
এছাড়া করোনা কালে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ এ ত্রান সামগ্রী দিতে গিয়ে নিজে করোনা আক্রান্ত হলেন।
প্রথম হাইফ্লো নজাল ক্যানুলা দান সহ
পৌর আওয়ামীলীগের সাথে সমন্বয় করে প্রতি টা ওয়ার্ডে সেচ্ছাসেবক কর্মী দিয়ে Contact tracing করে করোনা রোগীদের সনাক্তে সাহায্য করা বাংলাদেশের মত জায়গায় এক অভূতপূর্ব উদাহরণ।
এই সহজ সরল মানুষকে অনেকেই শুধুই উপরে উঠার সিঁড়ি হিসাবেই ব্যবহার করছে। তাদের কাছে ভবিষ্যতে কি আশা করব জানি না।