“জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৪৯তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আমি তাঁর স্মৃতির প্রতি গ্রভীর শ্রদ্ধা জানাই। তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করি।
কবি কাজী নজরুলের ২৩ বছরের সাহিত্য জীবনের অনন্য সৃষ্টি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে উচ্চাসনে অধিষ্ঠিত করেছে। তিনি ছিলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান বাংলা ভাষার কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও সঙ্গীতজ্ঞ। তিনি আমাদের জাতীয় কবি। তাঁর সাহিত্য কর্মের মধ্যে মানবতার বাণী ছিল উচ্চকিত। বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনে তাঁর কবিতা, গান এক যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করেছে। তিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছেন তাঁর অনন্য সৃষ্টিকর্মের মাধ্যমে। উজ্জীবিত করেছেন অবহেলিত ও শোষিত মানুষকে শোষক ও অত্যাচারির বিরুদ্ধে। ফলে তিনি বৃটিশ শাসকদের চক্ষুশুলে পরিণত হন এবং কারা নির্যাতন ভোগ করেন।
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম অন্যায়ের বিরুদ্ধে এক চিরকালীন দ্রোহের প্রতীক। সাহিত্য ও শিল্পকর্মে তাঁর ছিল বহুমূখী প্রতিভা। কিন্তু তাঁর প্রধান পরিচয় তিনি কবি। তাঁর রচনা আমাদেরকে স্বদেশ প্রেমে উদ্বুদ্ধ করে। সমাজে শান্তি, সাম্য ও মানবতা প্রতিষ্ঠার ব্রত নিয়ে তিনি সাহিত্যকর্মে আত্মনিয়োগ করেছিলেন।
কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর সৃষ্টিকর্মের জন্য চিরদিন অমর হয়ে থাকবেন বলে আমি বিশ্বাস করি। আল্লাহ হাফেজ। বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।”