অদ্য শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস অনুষ্ঠান উদ্যাপনে বাংলাদেশের শিল্পীবৃন্দের পরিবেশনায় উভয় দেশের অভিন্ন সাংস্কৃতিক বন্ধন ও শৈল্পিক সমৃদ্ধিকে উপস্থাপন করে একটি হৃদয়স্পর্শী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান,নৃত্য ও কবিতা আবৃত্তি পরিবেশন হয়।
এই অনুষ্ঠানটিতে সারা বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত মুক্তিযোদ্ধাগণ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ববৃন্দ,শিশুরা, তরুণ প্রজন্ম ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।আগত মুক্তিযোদ্ধাদের ক্রেস্ট প্রদান উপহার ও চিত্রাঙ্গন প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন স্কুলের শিশুদের সাটিফিকেট ও পুরুস্কার বিতরণ করা হয়।শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস কেবলমাত্র একটি ঐতিহাসিক স্মরণোৎসবের চেয়েও বেশি কিছু, এটি দুই প্রতিবেশী দেশের অভিন্ন ইতিহাস, মূল্যবোধ ও পারস্পরিক সহমর্মিতার মূর্ত প্রতীক।বুদ্ধিজীবি দিবস উদ্যাপন হলো যৌথ ত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং ভারত ও বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অংশীদারত্বের প্রতি এক নবায়িত অঙ্গীকার।
অনুষ্ঠানটি বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী ও মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক আবুল বারক আলভীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ইতিহাস ও ঐতিহ্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আশরাফুল ইসলাম।
এতে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও গবেষক অধ্যাপক ফকরুল আলম, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী মুক্তিযোদ্ধা শাহীন সামাদ এবং শহীদ বুদ্ধিজীবী অধ্যাপক জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতার কন্যা অধ্যাপক মেঘনা গুহঠাকুরতা। অনুষ্ঠানে নালন্দা বিদ্যালয়, অরণি বিদ্যালয়, তক্ষশিলা বিদ্যালয়, টাননটোন আর্ট স্কুল ও কার্ড আর্ট একাডেমির শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকরা এতে অংশ নিয়েছেন।