আন্তর্জাতিক প্লাস্টিক মেলায় জিহান প্লাস্টিক ইন্ডাস্ট্রিজ-এর বড় সাফল্য: প্রথম দিনেই মিলল এশিয়ান দেশের বিশাল রপ্তানি আদেশ
আন্তর্জাতিক প্লাস্টিক মেলায় জিহান প্লাস্টিক ইন্ডাস্ট্রিজ-এর বড় সাফল্য: প্রথম দিনেই মিলল এশিয়ান দেশের বিশাল রপ্তানি আদেশ
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত জানুয়ারি ৩০, ২০২৬
রাজধানীর বসুন্ধরা (আইসিসিবি)-তে অনুষ্ঠিত ১৮তম আন্তর্জাতিক প্লাস্টিক, প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজিং শিল্পমেলা (IPF 2026)-তে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় খেলনা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান জিহান প্লাস্টিক ইন্ডাস্ট্রিজ। মেলার প্রথম দিনেই এশিয়া মহাদেশের একটি দেশ থেকে বড় আকারের একটি রপ্তানি আদেশ নিশ্চিত করার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের প্লাস্টিক পণ্যের সক্ষমতা নতুন করে প্রমাণ করেছে।
মেলার প্রথম দিনেই আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া পাওয়ার বিষয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে জিহান প্লাস্টিক ইন্ডাস্ট্রিজ-এর জেনারেল ম্যানেজার এস.এম নাহিদুল ইসলাম বলেন, “এই মেলা আমাদের জন্য একটি উন্মুক্ত প্ল্যাটফর্ম যেখানে আমরা সরাসরি আন্তর্জাতিক সোর্সিং এজেন্ট ও পটেনশিয়াল বায়ারদের সাথে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাই। গত বছরের তুলনায় এ বছর আমরা ইতিমধ্যে দ্বিগুণ অর্ডার পেয়েছি। এমনকি মেলার উদ্বোধনী দিনেই আমরা এশিয়ার একটি দেশ থেকে বড় রপ্তানি অর্ডার পেয়েছি, যা আমাদের জন্য এবং পুরো দেশের জন্য অত্যন্ত গর্বের।”
তিনি আরও জানান যে, বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি ইতালি, সৌদি আরব ও শ্রীলঙ্কায় নিয়মিত পণ্য রপ্তানি করছে। আগামী মাস থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (USA) এবং যুক্তরাজ্যে (UK) তাদের রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে।
জিহান প্লাস্টিক ইন্ডাস্ট্রিজ তাদের পণ্যের গুণগত মান ও শিশুদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়। জনাব নাহিদুল ইসলাম বলেন, “আমাদের খেলনাগুলো আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ইন্টারটেক (Intertek) বা এসজিএস (SGS) ল্যাবরেটরি থেকে পরীক্ষিত। এগুলো সম্পূর্ণ বায়ো-ডিগ্রেডেবল ও কেমিক্যালমুক্ত, ফলে শিশুদের স্বাস্থ্যের জন্য কোনো ঝুঁকি নেই। ইতালিতে আমাদের ‘ক্যামিয়ন কনফিজনি’ নামক ট্রাকটি প্রায় ৫০ হাজার পিস রপ্তানি হয়েছে, যা বায়ারদের চাহিদা অনুযায়ী কাস্টমাইজড করা।”
দেশীয় খেলনা শিল্পের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে তিনি বলেন, “গার্মেন্টস শিল্পের মতো খেলনা সেক্টরেও যদি ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ গড়ে তোলা যায়, তবে আমরা চীন বা ভিয়েতনামের সাথে টেক্কা দিয়ে বিশ্ববাজারে নেতৃত্ব দিতে পারব। এ জন্য সরকারের নীতিগত সহযোগিতা ও কাঁচামালের সহজলভ্যতা একান্ত প্রয়োজন। এতে দেশে প্রচুর পরিমাণে বৈদেশিক মুদ্রা বা রেমিট্যান্স আসার নতুন দুয়ার উন্মোচিত হবে।”