অভিজিৎ ধর বাপ্পি/চট্টগ্রাম
আমি দেশে আসলে কয় একজনের সাথে দেখা সাক্ষাত না হলে বাংলাদেশে ছুটি কাটানোটা বৃথা মনে করি॥
ছবিতে আমার সাথে দুজন, সাদা গেন্জি পরিহিত মুছা আর একজন হচ্ছে রজ্জাক॥দুজনই একসময় ঐতিহাসিক গ্রেন্ড হোটেলের কর্মচারী ছিল॥ বর্তমান পেশা মুছা চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগ অফিসের বারেন্দায় ছোট বাক্স এবং টুলে বসে ঘরি মেরামত করে, আর ভাগ্য বিরাম্বিত রজ্জাক একই জায়গায় বসে পান সিগারেট বিক্রি করে।
রাজ্জাকদের ত্যাগের ইতিহাস লিখলে শেষ হবে না। যেমন সেই আগের মতোই সিগারেট Offer করে বল্লো “বদ্দা আন্নের লাই” আমি বল্লাম সিগারেট ছারি দিছি, তারপরও বলে “জর্দা দি ইগ্গা Strong হান (পান) বানাই দি” বল্লাম তো বাবা ছারি দিছি॥ সে আবার সোজা সরল মানুষের মতো তাকিয়ে থেকে আবার বল্লো “ব্যাক কিছু ছারি দিছেন তৈলে” !
মিছিল মিটিং পুলিশের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, শক্রুপক্ষের আক্রমন প্রতিহত করতেও একটা ছালার বেগ হাতে নিয়ে ছায়ার মতো আমাদের আশেপাশে থাকতো।অনেক সময় নিজেদের বরাদ্দের খাদ্য আমাদের মতো বুভুক্ষদের খেতে দিতো॥এই রজ্জাকদের খাওয়ার খেয়ে আজ কেউবা মন্ত্রী কেউবা অনেক বড় বড় নেতা হয়ে দামি দামি গাড়ী হাকাচছেন তারা কেও রজ্জাকদের খবরও নেয়না। আমি যদি আজ সেইদিনের বুভুক্ষ এবং আজকের হাজার কোটি টাকার মালিক নেতাদের নাম প্রকাশ করি তারা তেড়ে আসবে।
নেতাজীরা আমার এই লিখা যদি আপনার দৃষ্টিগোচর হয় তো Please বুভুক্ষ সেদিনের সামান্যতম ঋণের বোঝাকে হালকা করার চেষ্টা করুন॥ ঈশ্বর আপনার অগ্রযাত্রাকে আরোও প্রশস্থ করবে॥