দেশবাসীকে স্থপতি মিজানুর রহমানের ঈদ শুভেচ্ছা: ২০৩০ সালে পর্যটনে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে ‘ছুটি বে’
দেশবাসীকে স্থপতি মিজানুর রহমানের ঈদ শুভেচ্ছা: ২০৩০ সালে পর্যটনে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে ‘ছুটি বে’
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত মার্চ ২৩, ২০২৬
রাজীব দে ঢাকাঃ
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ছুটি গ্রুপে কর্মরত সকল সদস্য ও দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন ছুটি রিসোর্টস কক্সবাজার-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং ‘ছুটি বে’-এর চেয়ারম্যান স্থপতি মো: মিজানুর রহমান। এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, “ঈদ মানেই আনন্দ এবং ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত হওয়ার দিন। ছুটি গ্রুপ সবসময়ই মানুষের আনন্দ এবং অবসরের সঙ্গী হতে চায়। এই ঈদের খুশি সকলের জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল সুখ ও সমৃদ্ধি।”
শুভেচ্ছা বার্তার পাশাপাশি দেশের পর্যটন শিল্পে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকতের কলাতলী পয়েন্টে নির্মিত হচ্ছে দেশের প্রথম সেভেন স্টার (সাত তারকা) মানের হোটেল ‘ছুটি বে’। আধুনিক পর্যটকদের প্রধান আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে এই প্রকল্পটি ইতিমধ্যে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
স্থপতি মো: মিজানুর রহমান স্বয়ং বিদেশি নকশাকারদের সাথে নিয়ে এই হোটেলের বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ নান্দনিক নকশা সম্পন্ন করেছেন। হোটেলটিতে থাকছে ইনফিনিটি সুইমিং পুলসহ আন্তর্জাতিক মানের সকল আধুনিক সুযোগ-সুবিধা। পরিবেশ সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে এতে ব্যবহার করা হচ্ছে বিশেষায়িত সব পরিবেশবান্ধব উপকরণ।
প্রকল্পের কাজ বর্তমানে দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। আশা করা যাচ্ছে, ২০৩০ সাল নাগাদ এটি অতিথিদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। বাংলাদেশে ‘ইকো লাইফস্টাইল’ ধারণার প্রবর্তক হিসেবে ছুটি গ্রুপ ইতিমধ্যে বেশ পরিচিত। প্রতিষ্ঠানটি মূলত পরিবার-পরিজন নিয়ে ভ্রমণের জন্য নিরাপদ ও শুদ্ধ পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে রিসোর্টের যে আদর্শ সংজ্ঞা, সেই অনুযায়ী বাংলাদেশে পর্যটন সেবাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছে ছুটি গ্রুপ।
স্থপতি মো: মিজানুর রহমান আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, ‘ছুটি বে’ প্রকল্পটি সম্পন্ন হলে তা বাংলাদেশের পর্যটন খাতকে বিশ্ব দরবারে নতুনভাবে ব্র্যান্ডিং করতে সক্ষম হবে।