• ২৯শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১৪ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ১৫ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি
আগুনবেলা

চায়না নয়, এখন দেশেই তৈরি হচ্ছে বিশ্বমানের খেলনা: আন্তর্জাতিক প্লাস্টিক মেলায় তাজুল প্লাস্টিক ইন্ডাস্ট্রিজ-এর বড় সাফল্য

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত জানুয়ারি ৩০, ২০২৬
চায়না নয়, এখন দেশেই তৈরি হচ্ছে বিশ্বমানের খেলনা: আন্তর্জাতিক প্লাস্টিক মেলায় তাজুল প্লাস্টিক ইন্ডাস্ট্রিজ-এর বড় সাফল্য

রাজধানীর আইসিসিবি বসুন্ধরায় আয়োজিত ১৮তম আন্তর্জাতিক প্লাস্টিক, প্রিন্টিং ও প্যাকেজিং শিল্পমেলায় (IPF 2026) ব্যাপক সাড়া ফেলেছে পুরান ঢাকার চকবাজারের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান তাজুল প্লাস্টিক টয়স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ। মেলার প্রথম দিনেই দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় এবং দেশীয় খেলনার প্রতি আগ্রহ নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে।

মেলায় প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি মোঃ নাফিউসজামান তাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধু দেশের বাজার নয়, বরং আন্তর্জাতিকভাবে আমাদের পণ্যগুলো ছড়িয়ে দেওয়া। শিশুদের নির্মল বিনোদনের পাশাপাশি তাদের বুদ্ধিমত্তার বিকাশে সহায়ক ও শিক্ষামূলক খেলনা তৈরি করাই আমাদের মূল উদ্দেশ্য।”

তাজুল প্লাস্টিক বর্তমানে ৮০টিরও বেশি ভিন্ন ভিন্ন খেলনা উৎপাদন করছে। এক সময় যেসব খেলনা চীন থেকে আমদানি করা হতো, এখন তা সম্পূর্ণ নিজস্ব কারখানায় উন্নত প্রযুক্তিতে তৈরি হচ্ছে। মেলায় প্রদর্শিত উল্লেখযোগ্য পণ্যের মধ্যে রয়েছে:

ব্যাটারি চালিত থ্রিডি (3D) হর্স ও কাউ: যা মিউজিক ও লাইটিংয়ের মাধ্যমে শিশুদের বিনোদিত করে।

পাওয়ারফুল ট্রেন সেট: দেশীয় ব্রান্ডিংয়ে ‘যমুনা ট্রেন’, ‘ডোরেমন ট্রেন’ এবং ‘বেনট্রেন’ দর্শকদের নজর কেড়েছে।

৫জি মিউজিক গান ও কিউট বাস: আকর্ষণীয় ভাইব্রেশন ও ফ্রিকশন পাওয়ার চালিত এই খেলনাগুলো দীর্ঘস্থায়ী ও নিরাপদ।

দেশের বাজারে সাফল্যের পর প্রতিষ্ঠানটি এখন রপ্তানির দিকে মনোযোগ দিচ্ছে। নাফিউসজামান জানান, “আমরা বিশ্ববাজারে বাংলাদেশকে রিপ্রেজেন্ট করার জন্য কাজ করছি। আন্তর্জাতিক মানের এই খেলনাগুলো খুব শীঘ্রই দেশের বাইরে রপ্তানি শুরু করার পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে।”

পুরান ঢাকার চকবাজারে তাজুল প্লাস্টিক-এর শোরুম অবস্থিত। মেলায় স্থান সংকুলান না হওয়ায় মাত্র কিছু আইটেম প্রদর্শন করা হলেও, চকবাজার শোরুমে ক্রেতারা তাদের বিশাল সংগ্রহ সরাসরি দেখার সুযোগ পাবেন।