• ২৯শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১৪ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ১৫ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি
আগুনবেলা

বাংলাদেশ ও ইরানের মধ্যে আকাশপথে সরাসরি যোগাযোগ ও মেডিকেল ট্যুরিজমের শুভ উদ্বোধন

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬
বাংলাদেশ ও ইরানের মধ্যে আকাশপথে সরাসরি যোগাযোগ ও মেডিকেল ট্যুরিজমের শুভ উদ্বোধন

বাংলাদেশ ও ইরানের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচনের লক্ষ্যে ইরানের রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা ‘মাহান এয়ারলাইন্স’ (Mahan Air) এবং বাংলাদেশের ‘অ্যারো ভার্সিটিলর কর্পোরেশন’-এর মধ্যে এক ঐতিহাসিক জিএসএ (GSA) চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সরাসরি ফ্লাইট অপারেশন এবং মেডিকেল ট্যুরিজম সেবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে অ্যারো ভার্সিটিলর কর্পোরেশনের পক্ষে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সাবেক উইং কমান্ডার আলীমুন নাহার। তিনি জানান, তাদের কোম্পানি মাহান এয়ারের জেনারেল সার্ভিস সেলস এজেন্ট হিসেবে বাংলাদেশে এই কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

উইং কমান্ডার আলীমুন নাহার তার বক্তব্যে ইরানের আধুনিকতা ও উন্নত চিকিৎসা খাতের কথা উল্লেখ করে বলেন, “ইরান সম্পর্কে বাইরের বিশ্বে অনেক প্রোপাগান্ডা থাকলেও বাস্তবে তারা নিজস্ব সম্পদ ও যোগ্যতায় অত্যন্ত উন্নত। বিশেষ করে তাদের মেডিকেল সেক্টর বিশ্বমানের। আমরা চাই অ্যারো ভার্সিটিলর কর্পোরেশনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জন্য ইরানের এই উন্নত চিকিৎসা সেবা অত্যন্ত সহজলভ্য করতে।”

ঢাকা থেকে সরাসরি তেহরান এবং পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে দুবাই, মাসকাট, ইসলামাবাদ ও পাকিস্তান রুটে মাহান এয়ারের ফ্লাইট পরিচালিত হবে।

সাধারণ যাত্রী এবং রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের কথা বিবেচনা করে অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক ও কম মূল্যে টিকিট সুবিধা প্রদান করা হবে।

বাংলাদেশের বর্তমান সকল অপারেটরের তুলনায় মাহান এয়ার যাত্রীদের জন্য বেশি ব্যাগেজ বহনের সুযোগ দেবে।

হোয়াইট বডি এয়ারক্রাফট অপারেশনের মাধ্যমে আকর্ষণীয় খাবার ও সর্বোচ্চ মানের আতিথেয়তা নিশ্চিত করা হবে।

উইং কমান্ডার আলীমুন নাহার আরও উল্লেখ করেন যে, দীর্ঘ ২০ বছর বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে দেশের সেবা করার পর এখন তিনি এই বাণিজ্যিক উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চান। তাদের মূল লক্ষ্য হলো ‘জিরো কমপ্লেন’ বা শতভাগ গ্রাহক সন্তুষ্টির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখা।

অ্যারো ভার্সিটিলর কর্পোরেশনের উদ্যোক্তা খন্দকার সেলিনা আক্তার রানী-এর দূরদর্শী নেতৃত্বে এই প্রকল্প বাংলাদেশ ও ইরানের মধ্যে ব্যবসা, পর্যটন এবং চিকিৎসা খাতের উন্নয়নে এক অভাবনীয় সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেবে বলে অনুষ্ঠানে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা এবং ট্রাভেল এজেন্সির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।