রাজীব কান্তি দে/ঢাকা
সারা বিশ্বব্যাপী ১ ডিসেম্বর মুক্তির পর বলিউড বক্স অফিস মাতিয়ে রেখেছে ‘অ্যানিমেল’ সিনেমাটি। বক্স অফিস হিটের পাশাপাশি দারুণ প্রশংসাও পাচ্ছেন হিট অভিনেতা রণবীর কাপুর।অ্যানিমেল সিনেমাটিতে রণবীরের সঙ্গে টক্কর দিয়েছেন আরেক জনপ্রিয় অভিনেতা ববি দেওল। বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা রণবীর কাপুরের ‘অ্যানিমেল’ সিনেমা ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে বিশ্বজুড়ে।
অভিনেতা ববি দেওল এর গলায় মালা, পরনে সাদা শার্ট, মাথায় মদের গ্লাস নিয়ে নাচছেন। পেছনে বাজছে ‘জামাল কুদু’ গান। এই গানের মাধ্যমে ‘অ্যানিমেল’ সিনেমার পর্দায় দেখা গেছে তাকে। সন্দীপ রেড্ডি পরিচালিত অ্যানিমেল চলচ্চিত্রের ‘জামাল কুদু’ গানটি ইতোমধ্যে শ্রোতাপ্রিয় হয়ে উঠেছে। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করেও তারকারাও মজেছেন এ গানে। অনেকেই কৌতূহলী হয়ে উঠেছেন গানটির উৎপত্তি ইতিহাস জানতে।
বিখ্যাত ‘জামাল কুদু’ ভারতীয় কোনো গান নয়। এটি ইরানের একটি লোকসংগীত। অর্ধশতাব্দী আগে ইরানের একটি বালিকা বিদ্যালয়ে গানটি গাওয়া হয়।
দক্ষিণ ইরানে ১৯৫০ সালে খারাজেমি স্কুলে প্রথমবার গাওয়া হয় জামাল কুদু শিরোনামে গানটি। গানটির বর্তমান বয়স ৭৩ বছর। ধীরে ধীরে এই গান জনপ্রিয়তা লাভ করতে শুরু করে। একটা সময় গানটি পারস্য সংস্কৃতির অঙ্গ হয়ে ওঠে। ওই দেশের কয়্যার গ্রুপের মাধ্যমে গানটি বিস্তার লাভ করে। একপর্যায়ে ইরানের বিয়ের অনুষ্ঠানে সেটি গাওয়া রেওয়াজে পরিণত হয়। সেই গানটিই তুলে আনা হয় তুমুল জনপ্রিয় ‘অ্যানিমেল’ সিনেমায়।
জনপ্রিয় ‘জামাল কুদু’ গানটি নেওয়া হয়েছে ইরানের কবি বিজান সামানদারের লেখা থেকে। ‘অ্যানিম্যাল’ সিনেমায় গানটি নতুনভাবে ভারতীয় দর্শকদের কাছে তুলে ধরেছেন সুরকার হর্ষবর্ধন রামেশ্বর। গানের ‘জামাল জামালেক জামলো জামাল কুদু’ লাইনটি সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়তা পেয়েছে। গানটির বাংলার অনুবাদ হলো, ‘ও আমার প্রিয়, আমার ভালোবাসা, আমার মিষ্টি ভালোবাসা’।বর্তমানে ‘জামাল কুদু’ গানটি বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।