• ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১৫ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ১৯শে রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি
আগুনবেলা

লালদিঘীতে চসিকের মশক নিধন ক্রাশ প্রোগ্রাম

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
লালদিঘীতে চসিকের মশক নিধন ক্রাশ প্রোগ্রাম

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে চসিকের কার্যক্রমের পাশাপাশি নগরবাসীকেও সচেতন হতে হবে: চট্টগ্রাম সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন

ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগের বিস্তার রোধে চট্টগ্রাম নগরীর লালদিঘী এলাকায় বিশেষ মশক নিধন ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিচালনা করেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) পরিচালিত এ কর্মসূচি পরিদর্শন করেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

ক্রাশ প্রোগ্রামের আওতায় লালদিঘী ও আশপাশের এলাকায় মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করে লার্ভা নিধন, মশক নিধন ওষুধ প্রয়োগ এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। একই সঙ্গে বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি ও মশার বংশবিস্তারের সম্ভাব্য স্থানগুলো পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

কর্মসূচি পরিদর্শনকালে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে চসিকের পাশাপাশি নগরবাসীকেও সচেতন হতে হবে। শুধু সিটি করপোরেশনের মশক নিধন কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে নগরবাসীকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি বলেন, এডিস মশা সাধারণত জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ি, ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, নির্মাণাধীন ভবনসহ যেসব স্থানে পানি জমে থাকতে পারে, সেসব স্থান নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে। কোথাও পানি জমে থাকলে তা দ্রুত অপসারণ করতে হবে।

মেয়র আরও বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিক নিয়মিত মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিচালনা করছে। মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, লার্ভা নিধন, ওষুধ প্রয়োগ এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের মাধ্যমে মশার বিস্তার নিয়ন্ত্রণে কাজ করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, শুধু ওষুধ ছিটিয়ে মশা নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সিটি করপোরেশনের মাঠকর্মীদের পাশাপাশি নগরবাসীকেও সচেতন ও সহযোগিতামূলক ভূমিকা পালন করতে হবে।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধ একটি সম্মিলিত দায়িত্ব। নগরবাসী যদি নিজেদের ঘরবাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখেন এবং কোথাও পানি জমতে না দেন, তাহলে মশার বংশবিস্তার অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

তিনি নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, নিজের ঘর-আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, জমে থাকা পানি অপসারণ করুন এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমে সহযোগিতা করুন।

নগরীর বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় পর্যায়ক্রমে এ ধরনের মশক নিধন ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিচালনা করা হচ্ছে। ডেঙ্গু পরিস্থিতি বিবেচনায় মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।