গুলশান-বনানী দূর্গাপূজার বিসর্জন সাভার আশুলিয়ার তুরাগ নদী
গুলশান-বনানী দূর্গাপূজার বিসর্জন সাভার আশুলিয়ার তুরাগ নদী
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত অক্টোবর ১৩, ২০২৪
দূর্গাপূজার বিজয়া দশমী আজ রবিবার ১৩ অক্টোবর, ২০২৪ ইং মা দূর্গাকে বিসর্জনে দেয়ার জন্য সবাই ছুটে চলেছে এখন বিসর্জনে সাভার শিল্প এলাকার আশুলিয়া তুরাগ নদীর পাড়ে।
গুলশান বনানী পূজা ফাউন্ডেশন এর সকল সদস্যরা প্রতিমার বিসর্জন উপলক্ষে এক বণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করে দশমী উপলক্ষে।সবার মুখে শ্লোগান ছিল শোভাযাত্রায় মা দূর্গা কি জয়,যাচ্ছি কোথায় যাব কোথায় বিসর্জনে সবার মুখে ধ্বনিত হচ্ছে।শোভাযাত্রাটি বনানী পূজা মন্ডপ থেকে বের হয়ে কাকলী গিয়ে শেষ হয়।তারপর প্রতিমার ট্রাকসহ মা দূর্গাকে নিয়ে চলে যায় বিসজর্নের দিকে।সাথে পূজা মন্ডপের সদস্যরা ও রওয়ানা দেয়।
দূর্গাপূজার বিসজর্নে যাওয়ার সময় বনানী পূজা ফাউন্ডেশন এর সভাপতি জেএল ভৌমিক বলেন,আমরা দূর্গাপূজা করেছি শান্তিপূর্ণ ভাবে প্রশাসনিক নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে।হিন্দু ধর্ম হচ্ছে শান্তির ধর্ম।আমরা বৈষম্যহীন সমাজ ব্যবস্হায় বিশ্বাস করি।এবং সকলে মিলে সমান অধিকার নিয়ে এইদেশে বসবাস করতে চাই। আমরা অন্তবর্তী কালীন সরকার এবং সকল আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।
প্রতিমা বিসর্জনে আরো বহুজনের সঙ্গে তুরাগ নদীর পাড়ে উপস্হিত ছিলেন গুলশান বনানী পূজা ফাউন্ডেশন এর সাধারণ সম্পাদক-ইঞ্জিনিয়ার অসীম কুমার জোয়ার্দার,ইঞ্জিনিয়ার মিহির চাঁদ দে, প্রাণকৃষ্ণ ঘোষ,মনোজ কুমার দে,রঞ্জন কর্মকার, সুধাংশু দাশ,কার্তিক কর্মকার,চন্দন চন্দ্র লোধ, ডা.বিদ্যুৎকুমার সাহা,,শ্রীবাস রায়, বিপুলকান্তি দাস,,ডা. গোবিন্দ দাশ,চৈতন্য কুমার দে (চয়ন),বিজন সেন,,নিখিল সাহা,সুমন সাহা সহ,আরো উপস্থিত ছিলেন বহু গৃহিণী, তরুণীরা,ছাত্র,যুবক,দর্শনার্থী,ভক্তবৃন্দরা।
কিন্তু অষ্টমী পূজার রাতে ঘটে গেল রাজধানীর তাঁতীবাজারে পূজায় আসা আগত এক রমণীর গলা থেকে চেইন নিয়ে যাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাতীবাজর পূজা মন্ডপের ৪ জন সদস্য ছুরিকাহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসাধীন আছে।
পরে মন্ডপ থেকে একটি পেট্রোল বোমা উদ্ধার করে পরিত্যক্ত অবস্থায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।পরে অবশ্য পূজামন্ডপের স্বেচ্ছাসেবকদের সহযোগীতায় ৩ জন পুলিশের হাতে আটক হয়। সেই ঘটনার পরপরই পূজা জুড়ে ছিল আতংক বিরাজ করছিল।কিন্তু প্রশাসনের সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা জোরদার ছিল।সাদাপোশাকে ও পূজা মন্ডপের চারপাশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্বরত ছিল। যাতে পূজায় কেউ দূর্ঘটনা করার চেষ্টা করতে না পারে।