১। র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বিভিন্ন ধরণের অপরাধীদের আইনের আওতায় আনয়নের ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। র্যাবের সৃষ্টিকাল থেকে বিপুল পরিমান মাদক, অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারসহ বিভিন্ন সময়ে সংঘঠিত চাঞ্চল্যকর, হত্যাকারী, ধর্ষণকারী এবং আলোচিত বিভিন্ন ঘটনার সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে র্যাব জনগণের সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।
২। গত ০২/০৩/২০২৫ তারিখ রাতে রাজধানীর রামপুরা এলাকায় যৌন হয়রানি সংক্রান্ত একটি ঘটনা বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত হলে তা ব্যাপকভাবে চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি করে। বিষয়টি র্যাব-৩ এর নজরে আসলে তাৎক্ষণিকভাবে গুরুত্ব সহকারে র্যাব-৩ কর্তৃক ছায়া তদন্ত শুরু হয়। উক্ত বিষয়ে ঢাকা মহানগরীর রামপুরা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনীঃ ২০০৩) একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় উল্লেখিত এজাহার নামীয় ও অজ্ঞাতনামা অভিযুক্তদের গ্রেফতারের নিমিত্তে র্যাব সদর দপ্তর গোয়েন্দা শাখা ও র্যাব-৩ এর একাধিক গোয়েন্দা ও অপারেশনাল টিম মাঠ পর্যায়ে কাজ শুরু করে। গোয়েন্দা সূত্র হতে প্রাপ্ত তথ্য ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় উক্ত মামলার প্রধান অভিযুক্ত ১। সোয়েব রহমান জিশান (২৫), পিতাঃ মোঃ মিজানুর রহমান খান, সাং-ফুলহাতা, থানাঃ মোড়লগঞ্জ, জেলাঃ বাগেরহাট’কে ০৩/০৪/২০২৫ তারিখ গভীর রাতে রাজধানীর রামপুরা থানাধীন মেরাদিয়া এলাকা হতে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী রাজধানীর রমনা থানাধীন বেইলি রোড এলাকা হতে ২। মোঃ রাইসুল ইসলাম (২১), পিতা- মোঃ সাখাওয়াত হোসেন, সাং-চহটা, থানাঃ বরিশাল সদর, জেলাঃ বরিশাল’কে এবং শ্যামপুর থানাধীন গেন্ডারিয়া এলাকা হতে ৩। মোঃ কাউসার হোসেন (২১), পিতা মোঃ নুরুল আমিন, সাং-রাজ্জাকপুর, থানাঃ বরিশাল সদর, জেলাঃ বরিশাল’কে ০৩/০৪/২০২৫ তারিখ সকালে গ্রেফতার করা হয়।
৩। গ্রেফতারকৃত আসামিদের রামপুরা থানায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।