• ২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি
আগুনবেলা

৩ যুগ ধরে ২২ প্রকার কাবাব নিয়ে পুরনো ঢাকায় জনপ্রিয় বিসমিল্লাহ কাবাব ঘর

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত জানুয়ারি ১২, ২০২৪
৩ যুগ ধরে ২২ প্রকার কাবাব নিয়ে পুরনো ঢাকায় জনপ্রিয় বিসমিল্লাহ কাবাব ঘর

-খাইরুল ইসলাম (তাজ)-

কাবাবের কথা শুনলে কার না জিভে জল চলে আসে! বাহারী কাবাবের এই পসরা সাজিয়েছে পুরনো ঢাকার নাজিরা বাজার এলাকার বিসমিল্লাহ কাবাব ঘর। খাদ্যপ্রেমীদের অতিরিক্ত ভীড়ের জন্য একই রোডে পাশাপাশি ৩ টি আউটলেট খুলতে হয়েছে তাদের। তবে এই নাজিরা বাজার ব্যতীত তাদের কোথাও কোন শাখা নেই।

পুরনো ঢাকার স্থানীয় উদ্যোক্তা এই কাবাব ঘরের কর্ণধার, জনাব হাবীবুর রহমান এর সাথে কথা বলে জানা যায়- ৮০ দশকের শেষে ভাল এবং ভিন্ন ঘরানার কাবাব আয়োজনের চিন্তা থেকে চার-পাঁচ প্রকারের কাবাব নিয়ে শুরু হয় বিসমিল্লাহ কাবাব ঘর। আস্তে আস্তে বাজিমাত করে এটি৷ এখন কাবাব হয়েছে ২২ প্রকার, সাথে থাকে বরাবরের মত বিসমিল্লাহ’র নিজস্ব ধাচের পরাটা ও নান রুটি। মজার বিষয়, যে ঘরে শুরু হয়েছিল ব্যবসা, কালের পরিক্রমায় সেই ঐতিহ্য রয়ে গেছে। তবে খাবারের মানে কমতি হয়নি একটুও। কেন কাবাব ও মাংস ভুনা এত সুস্বাদু? উত্তরে জানা যায়- মানসম্মত মশলার সংমিশ্রণ এবং দৈনিক ক্রয় করা উপাদানের সাথে কারিগরের যত্নশীল রেসিপি- সব মিলে বিসমিল্লাহ’র খাবার অনন্য।

এর বিফ শিক কাবাব, চিকেন চাপ, সপ্তাহের প্রতি সোমবারে হাস ভুনা, তান্দুরী চিকেন, এরাবিয়ান চিকেন, মাটন গুরদা কাবাব, মগজ ভুনা, রেশমী কাবাব ইত্যাদি চাহিদার শীর্ষে। গুণে-মানে সেরা এসব আইটেম, অথচ মূল্য খাদ্যপ্রেমীদের ক্রয়সীমার মধ্যে। আবার তাজা সামুদ্রিক মাছের বারবিকিউ শুরু হয়েছে। অর্ডার হলেই কেবল প্রস্তুত করা হয় এসব। মধ্যরাত অবধি খোলা থাকে বিসমিল্লাহ কাবাব ঘর। মাঝেমাঝেই বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে নতুন আইটেমের ঘোষণা আসে। যেমন- বিফ মটর বিরানী, মাটন কাবাব প্রভৃতি।

মো: ইউসুফ এবং এহসান আলী রবিন কাবাব ঘরটির জেনারেল ম্যানেজারের দায়িত্বে রয়েছেন। ঢাকার যে কোন জায়গায় হোম ডেলিভারী করে তারা। বিসমিল্লাহ কাবাব ঘরের জনপ্রিয়তার ধারাবাহিকতা শত বছর স্থায়ী হওয়ার মতই। যে কোন আপডেট জানতে, ফেসবুক পেজ- www.facebook.com/Bismillahkababbd