নামকরা বিফ খিচুড়ি, বিরিয়ানী, তেহারী, হাস ভুনা ও কাবাবের পসরা নিয়ে সুনাম কুড়াচ্ছে কুড়িলের ভাই-ভাই হোটেল ও রেস্টুরেন্ট
নামকরা বিফ খিচুড়ি, বিরিয়ানী, তেহারী, হাস ভুনা ও কাবাবের পসরা নিয়ে সুনাম কুড়াচ্ছে কুড়িলের ভাই-ভাই হোটেল ও রেস্টুরেন্ট
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত নভেম্বর ১০, ২০২৪
রিপোর্ট: রাজীব ও তাজ
২০১১ সালে ঢাকার কুড়িলে শুভ সূচনা হয় ভাই-ভাই হোটেল ও রেস্টুরেন্টের। অভিজ্ঞ রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ী মো: জামাল মোল্লা এই জনপ্রিয় বাংলা রেস্টুরেন্টের কর্ণধার। তার প্রত্যক্ষ তত্তাবধানে বাংলা রেস্তোরাঁটি সুস্বাদু ও চমৎকার সব খাবার পরিবেশন করে যাচ্ছে বাংলা খাদ্যপ্রেমীদের মাঝে। উন্নত খাদ্যমানের বদৌলতে মানুষের মুখে মুখে পৌছে গেছে এই রেস্তোরাঁর নাম। পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা এবং খাদ্যগুণের কারণে ভাই-ভাই হোটেল ও রেস্টুরেন্ট খাদ্যপ্রেমীদের আস্থার জায়গায় পৌছে গেছে। মজার বিষয়, রেস্টুরেন্টের পরিসর একটু ছোট, মাত্র ৩২ জন বসতে পারবে একত্রে। তবে খাদ্যপ্রেমীদের ভীড়ে সরগরম থাকে সারা দিন-রাত। প্রতিদিন সকাল ৬ টা থেকে রাত ১২ টা পর্যন্ত খাবার থাকা সাপেক্ষে খোলা থাকে এটি। সকালের নাস্তা, দুপুরের খাবার, বিকালের নাস্তা, রাতের ভোজ এবং মধ্যরাতের বিশেষ কিছু আইটেম এখানে পাওয়া যায়। সকালে রুটি বা পরোটার সাথে গরুর নেহারী, চিকেন স্যুপ, পায়া ও সবজি খুব নামকরা। দুপুরের খাবারে বাংলা আইটেম খুব প্রসিদ্ধ, যেমন ধোঁয়া ওড়া ভাতের সাথে সতেজ টাটকা গরুর কালো ভুনা, চিকেন ঝাল ফ্রাই, মাছ ও ভর্তা-সবজি ইত্যাদি দারুণ চলে। হাঁসের মাংস ভুনা প্রতিদিন দুপুর থেকেই পাওয়া যায়। চিকেন বিরিয়ানী, সরিষা তেলের বিফ খিচুড়ি, বিফ তেহারী, বিফ কাচ্চি ও খাসীর রেজালা অত্যন্ত নামকরা, এবং দামে সুলভ। এবার বিকেলের নাস্তার আলাপ করি। ৫ রকম কাবাবের সমারোহ এই রেস্তোরাঁতে। চিকেন টিক্কা, বারবিকিউ চিকেন, বডি কাবাব, বিফ শিক কাবাব, তান্দুরী চিকেন, গ্রীলড চিকেন- এসব জিভে জল আনার মতই খাবার আইটেম। সাথে থাকবে তুলতুলে মোলায়েম বিস্কিট-বাটার নান ও পরাটা। হাসের মাংস দিয়ে রুটির মিশ্রণ খুব যুতসই হয়। দাম সবার হাতের নাগালে। ফুডপ্যান্ডা এ্যাপসে পার্সেল খাবার অর্ডার করা যায়, এছাড়া প্রচুর টেকওয়ে খাবার যায়।
উল্লেখ্য, ভাই-ভাই হোটেল ও রেস্টুরেন্টের ম্যানেজার হিসেবে আছেন ফরহাদ হোসেন। এক ফাঁকে আমাদের নিউজ টিম কথা বলে মো: জামাল মোল্লা’র সাথে, তিনি বলেন- “এত সব সুস্বাদু খাবারের ম্যাজিক হচ্ছে নিজে থেকে বাজার করা টাটকা উপকরণ, মাছ, মাংস, চিনিগুড়া চাল-সব দারুণ। এবং মশলা ১ নম্বর এবং উন্নত। নিজে বাছাই করে মশলা ভাংগিয়ে প্রস্তুত করে আমাদের খাবার রান্না হয়। আর সব খাবারই বিক্রি হয়ে যায় নিমেষে। এজন্য বাসী, পঁচা বা পুরাতন খাবার থাকে না।”
উল্লেখ্য, ক্রিকেট জগতের বিখ্যাত খেলোয়াড় নাসির হোসেন, শাহাদাত হোসেন রাজীব সহ অনেক ক্রিকেটার ও ফুটবলার এই ভাই-ভাই রেস্টুরেন্টের মজাদার সব খাবার খেয়ে থাকেন। এছাড়া, সিনেমা ও নাটক জগতের অনেকে নিজ নিজ পরিবারের জন্য মাঝে মাঝে পার্সেল খাবার নেন। যমুনা ফিউচার পার্ক পাশে হওয়ার কারণে যমুনা গ্রুপের বহু কর্মকর্তা ও সাংবাদিকেরা এখান থেকে পছন্দসই খাবার নিয়ে থাকেন। ঢাকার বাইরের দূর-দূরান্তের জেলাগুলো থেকে আগত যাত্রীরা কুড়িল চৌরাস্তা এসে নেমেই ভাই-ভাই রেস্টুরেন্টে খাবার উপভোগ করেন। দাম খুব অল্প হওয়াতে খাবারপ্রেমীদের আনাগোনা দেখার মত। ভাই-ভাই হোটেল ও রেস্টুরেন্টের ঠিকানা- কুড়িল চৌরাস্তা মেইন রোড, ঢাকা।