কজমো ক্যাফে এন্ড বিস্ট্রো: বসুন্ধরা আবাসিকের জাকজমক পূর্ণ প্রিমিয়াম ক্যাফে
কজমো ক্যাফে এন্ড বিস্ট্রো: বসুন্ধরা আবাসিকের জাকজমক পূর্ণ প্রিমিয়াম ক্যাফে
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৪
রিপোর্ট: খাইরুল ইসলাম তাজ
রাজধানী ঢাকার ব্যস্ত এবং সুন্দরতম এলাকা বসুন্ধরা আবাসিক। সেখানে রূপায়ন সেন্টার এর ৩য় তলায় মাস দুয়েক হল যাত্রা শুরু করেছে অসাধারণ নকশা-শৈলীতে নির্মিত ক্যাফে কজমো। ভীনদেশে সাধারণত দেখা যায় ক্যাফে মানেই লাউঞ্জ ধরণের অনুভূতি, এন্টিক আবহ এবং সুন্দর পরিবেশে সুন্দর খাবার। কজমো লাউঞ্জ এন্ড বিস্ট্রো ঠিক সেরকম। মনোরম আরামদায়ক এক গন্তব্য হিসেবে দিন দিন খাদ্যপ্রেমীদের চাহিদার চূঁড়ায় পৌঁছে যাচ্ছে কজমো। ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে ফরাসী ঘরানা ও ঐতিহ্যের আদলে তৈরি হয়েছে ক্যাফে টি, আবার পারসিয়ান- ইউরোপিয়ান ধাঁচও পরিলক্ষিত হয়। ক্যাফেতে মোট আসন সংখ্যা ১৩০। কোন গাদাগাদি বা ভীড়ের সুযোগ নেই। বিভিন্ন চেম্বারে বিভক্ত গোটা ফ্লোর৷ যেমন- লাউঞ্জ, ব্যালকনী সিটিং, ফ্যামিলি প্রিমিয়াম কর্ণার, ফ্রেন্ড লাউঞ্জ, মিটিং জোন প্রভৃতি। আগত অতিথি এবং খাদ্যপ্রেমীদের জন্য থাকছে লাইভ ড্রামস কীট এবং লীড গিটার, যা চাইলেই কেউ বাজাতে পারবেন।
এবার পরিবেশের কথায় আসা যাক৷ সব চেম্বারের দেওয়াল জুড়ে ফরাসী ছবিচিত্রের টেরাকোটা রয়েছে। লাউঞ্জে বসে জায়ান্ট টেলিভিশনে খেলা বা মুভি উপভোগ করা যায়। একপাশে রয়েছে লাইব্রেরী আদলে প্রস্তুতকৃত বসার জোন। কফি খেতে খেতে বই পড়ার সুযোগ এখানে রয়েছে। পরিচ্ছন্নতা ও পরিপাটি সাজসজ্জার ছাপ সর্বত্র। বাহারী আলোক বাতি ও ঝাড়বাতির কারিশমা সেই আমলের রাজা বাদশাদের নীদমহলের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। দুর্দান্ত আধুনিক কজমো ক্যাফের চেয়ারম্যান হিসেবে আছেন উন্নত ও আধুনিক মানসিকতার অধিকারী মো: রাকিবুদ্দীন জুয়েল ঢালী; এমডি হিসেবে দায়িত্বে আছেন নাইমা হক। ক্যাফের অপারেশনস ম্যানেজার হিসেবে আছেন ২০ বছরের পেশাদার অভিজ্ঞতা সম্পন্ন সদাহাস্য মো: আনিসুর রহমান। রেস্টুরেন্ট ম্যানেজারের ভূমিকায় দায়িত্বশীল শফিকুল ইসলাম ইয়ামীন; মার্কেটিং ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছেন ৫ বছরের অভিজ্ঞ লাস্যময়ী-আন্তরিক মেহজাবীন নিশাত। যারা সুস্বাদু খাবার প্রস্তুত করেন, সেই তালিকায় আসবে অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ এক্সিকিউটিভ শেফ জাহাঙ্গীর আলম এবং স্যু শেফ আবু রায়হান এর নাম। এ রকম ৩০-৩২ জন স্টাফ এই ক্যাফেতে আন্তরিক সেবা দিতে সদা নিয়োজিত। ক্যাফেটি সকাল ৮ টা থেকে রাত সাড়ে এগারোটা পর্যন্ত সপ্তাহের সাত দিনই খোলা থাকে। প্রতিদিন দিনের শুরুতেই দায়িত্বরত সবাইকে হাইজিন স্টান্ডার্ড ও ম্যানার সম্পর্কে ব্রিফ করা হয়, এজন্য সর্বোচ্চ সেবার নিশ্চয়তা রয়েছে।
এবার, খাবারের কথা কিছু বলা যাক। মিনি পার্টি, প্রোগ্রাম, গেট টুগেদার ইভেন্ট, টেইক এওয়ে, পার্সেল সব ব্যবস্থাই আছে কজমো তে৷ মূলত এটা মাল্টি-কুইজিন ক্যাফে যেখানে বারিস্তা ও জুস বারে আছে ঠান্ডা-গরম মিলিয়ে ১০০ প্রকার আইটেম (আন্তর্জাতিক চা- কফি), জুস ও মকটেলস। সাথে থাকে বিভিন্ন দেশের কিছু সিগনেচার আইটেম। যেমন- কন্টিনেন্টাল, ইটালিয়ান, প্যান-এশিয়ান ইত্যাদি। অথেন্টিক ইটালিয়ান পিজ্জা, পাস্তা, প্রন-টেম্পুরা, বাহারী স্যুপ, নতুন স্বাদের তান্দুরী চিকেন ও বারবিকিউ ফ্লেভার মোমো, লন্ডন বা নিউইয়র্ক স্টাইলের ডোরী ফিশ এন্ড চিপস, স্প্যানিশ আইটেম তাপাস- এসব লাঞ্চের সেরা আকর্ষণ। চকলেট ফাজ ব্রাউনী, চিজ কেক, ব্ল্যাক ফরেস্ট ইত্যাদি কজমো’র জনপ্রিয় সব ডেজার্ট ও পেস্ট্রি চমক। ঈর্ষা জাগানিয়া স্টেক সহ মাছের সব অসাধারণ আইটেম দ্রুতই শুরু হবে। সকাল ৮.৩০ থেকে ১১.৩০ পর্যন্ত ভীনদেশী ঘরানার প্রাত:রাশ পাওয়া যায়। দুপুর ১২ টা থেকে লাঞ্চ মেন্যু আরম্ভ হয়। স্ন্যাকস চলে সারাবেলা। সন্ধ্যার পর থেকে ডিনার মেন্যু শুরু হয়। বহু মাত্রিক এসব সুস্বাদু খাবার, স্টাফদের অসম্ভব আন্তরিকতা এবং নয়নাভিরাম পরিবেশ পেতে হলে যেতে হবে ঢাকার বসুন্ধরা হেডকোয়ার্টারস রোডের আবাসিক এলাকার কজমো ক্যাফে এন্ড বিস্ট্রোতে। বিস্তারিত সব তথ্য জানা যাবে এদের ফেসবুক পেজ থেকে: https://www.facebook.com/cozmocafenbistro