• ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ২০শে কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি
আগুনবেলা

স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে বাজেটে স্বাস্থ্য খাতকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত জুলাই ৮, ২০২৬
স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে বাজেটে স্বাস্থ্য খাতকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

রাজীব দে:

এদেশের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বাজেটে স্বাস্থ্য খাতকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ এজেডএম জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, “স্বাধীনতার পর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিশ্বাস করতেন বাংলাদেশের বিশাল জনগোষ্ঠীকে স্বাস্থ্যসেবা দিতে হলে সব ধরনের চিকিৎসা ব্যবস্থাংশকেই গুরুত্ব দিতে হবে। এ জন্য শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এদেশের বিপুল সংখ্যক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকল্পে ইউনানী, আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা ব্যবস্থাকে বৈজ্ঞানিক ও আধুনিকায়ন করার লক্ষ্যে ব্যবস্থা প্রবর্তনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।”

মন্ত্রী ঢাকায় বুধবার ৮ জুলাই ২০২৬, ফার্মগেটের কোয়ালিটি ইন-এ ইউনানী আয়ুর্বেদিক গ্রাজুয়েট ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আগডাব) আয়োজিত ‘সুস্বাস্থ্যর বাংলাদেশ গঠনে ইউনানী, আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার ভূমিকা’ শীর্ষক কর্মশালা ও চিকিৎসক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, এদেশের বেশিরভাগ জনসংখ্যা কোনো না কোনোভাবে এই চিকিৎসা পদ্ধতিগুলোর ওপর নির্ভরশীল, যা আমাদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ রূপে ব্যবহৃত হচ্ছে। তিনি অ্যালোপ্যাথির পাশাপাশি বাংলাদেশে প্রচলিত চার ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতির মধ্যে এই তিন ধরনের চিকিৎসা সেবা দিয়ে মানুষের মনে নির্ভরযোগ্যতার জায়গা করে নিতে গুরুত্বারোপ করেন।

মন্ত্রী সবার জন্য প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা উন্মুক্ত করার তাগিদ দিয়ে বলেন, এই চিকিৎসা বিজ্ঞানের উৎকর্ষ সাধনে আরো গবেষণা হওয়া উচিত ও স্নাতকোত্তর শিক্ষা সম্প্রসারণ করা উচিত। গবেষণার মাধ্যমে যদি এই চিকিৎসা ব্যবস্থার গ্রহণযোগ্যতা আরো বাড়ানো যায়, তাহলে মানুষের আস্থা আরো বৃদ্ধি পাবে।
তিনি আরও বলেন, দেশে প্রচলিত অ্যালোপ্যাথির পাশাপাশি ইউনানী, আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথিক—এই চার পদ্ধতির সবারই নিজস্ব ক্ষেত্র থেকে অবদান রাখার সুযোগ রয়েছে। তবে ইউনানী ও আয়ুর্বেদিকের তুলনায় দেশে হোমিওপ্যাথির প্রচলন বর্তমানে বেশি। মানুষ এখন হারবাল মেডিসিনের প্রতিও উৎসাহিত হচ্ছে এবং হামদর্দ এখনো সুনামের সাথে কাজ করে যাচ্ছে।

উক্ত কর্মশালা ও চিকিৎসক সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হোমিও ও দেশজ চিকিৎসার পরিচালক ডাঃ ফরিদা ইয়াসমিন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোটের মহাসচিব রফিকুল ইসলাম, এবং দেশের প্রখ্যাত ইউনানী, আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক, শিক্ষাবিদ ও নীতিনির্ধারকগণ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উআগুডাব-এর সভাপতি ডাঃ মির্জা লুৎফর রহমান লিটন।

November 2026
S S M T W T F
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930