স্টাফ রিপোর্টার :: মৌলভীবাজারের জুড়ীতে জনসাধারণের চলাচলের রাস্তা কেটে মাটির সাথে মিশিয়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলার শাহপুর গ্রামের মৃত আজমল আলী’র ছেলে নাদির মিয়া, মুত লতিফ মিয়ার ছেলে মামুন মিয়া, মৃত আলী মিয়ার ছেলে হাজির মিয়া, হাজির মিয়ার ছেলে’দ্বয় নাজমুল মিয়া ও এনামুল ইসলামের বিরুদ্ধে।
শাহপুর গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে জাহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে জুড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন।অভিযোগ সূত্রে জানা যায় গত ২ অক্টোবর বিবাদীরা জনগণের চলাচলের রাস্তা কেটে মাটির সাথে মিশিয়ে দিলে পরবর্তীতে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে বিবাদীদেরকে রাস্তাটি ভরাট করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।সালিশ বৈঠকের সিদ্ধান্ত না মেনে বিবাদীরা রাস্তাটি কেটে ফেলে ।
জাহিদুল ইসলাম অভিযোগ করেন রাস্তা কাটার প্রতিবাদ করলে বিবাদীরা তাকে মারধর করার হুমকি দেয়। তিনি বলেন, বিবাদীরা এ রাস্তাটি কাটার ফলে এই এলাকার ২০টি পরিবার গৃহবন্দী সহ স্কুল- মক্তবের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের অসুবিধা হচ্ছে।
স্থানীয় এলাকাবাসীর জানান, যান চলাচলের রাস্তাটির একটি অংশ হঠাৎ করেই এলাকার প্রভাবশালী শাহপুর গ্রামের মৃত আজমল আলী’র ছেলে নাদির মিয়া গং’রা মধ্য রাতে এলাকবাসীর অগোচরে মাটি কেটে পানির সাথে মিশিয়ে দের।এতে রাস্তা দিয়ে চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।এবিষয়ে এলাকাবাসী কয়েক বার সামাজি বৈটকে বসে রাস্তাটি ফের চালু করে দেওয়ার জন্য নাদির মিয়া গং’দের অনুরোধ করলেও তারা কারও কথা রাখেনি।
রাস্তাটি বন্ধ থাকায় এলাকার ট্রায় ২০টি পরিবারসহ এলাকার মানুষের চলাচল চরম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
অবিলম্বে রাস্তা দখলমুক্ত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন অভিযোগকারী জাহিদুল ইসলাম।অভিযোগকারী জাহিদুল ইসলাম জানান, মৃত আজমল আলী’র ছেলে নাদির মিয়া, মুত লতিফ মিয়ার ছেলে মামুন মিয়া, মৃত আলী মিয়ার ছেলে হাজির মিয়া, হাজির মিয়ার ছেলে’দ্বয় নাজমুল মিয়া ও এনামুল ইসলাম রাতের অন্ধকারে রাস্তা কেটে পানিতে ফেলে দেওয়া’য় আমার পরিবার সহ প্রায় ২০-টি পরিবার হাট-বাজার করতে পারছেন না এবং কোনো রকম বের হওয়ার মতো রাস্তাও নেই। এমনকি এই এলাকায় কেউ মারা গেলে মরদেহটা পর্যন্ত নিয়ে বের করা কষ্টকর হয়ে পড়েছে।
এবিষয়ে সরজমিন ঘটনাস্থল গিয়ে অভিযুক্ত নাদির মিয়ার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো বক্তব্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন।
জে এম / হাকালুকি