বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার এন্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস)-এর আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তি এবং বিদ্যমান সদস্যদের তথ্য যাচাই-বাছাই ও হালনাগাদ কার্যক্রম জোরদার করতে একটি সহায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বাণিজ্য সংগঠন-২ এর নির্দেশনার আলোকে গঠিত এই কমিটি অস্থায়ী প্রশাসকের মাধ্যমে মনোনীত হয়েছে। কমিটির মূল দায়িত্ব হবে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তিকরণ এবং বিদ্যমান সদস্যদের তথ্য যাচাই-বাছাই করে হালনাগাদ করা।
বেসিস প্রশাসক খন্দকার নাজমীনকে নির্বাচনী কাজে সহযোগিতা করতে গঠিত কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন—
ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ জুয়েল, আব্দুল্লাহ ইবনে নূরুল ইসলাম, মোঃ আহসান হাবিব, ফেরদৌস আলম, মোঃ ফুয়াদ হাসান, মোঃ রাশেদ উল হক সরকার এবং মোহাম্মদ তাফীদ হাসান চৌধুরী।
একমিটির কোনো সদস্য বেসিসের আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে চাইলে নির্বাচন তফসিল ঘোষণার দিনই তাকে কমিটির সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ করতে হবে বলে জানানো হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, এই কমিটির কার্যপরিধি শুধুমাত্র সদস্য অন্তর্ভুক্তি ও তথ্য হালনাগাদকরণ কার্যক্রমের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে আরো জানা যায়, বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে আইসিটি মন্ত্রণালয়ের অধীনে আওয়ামীলীগ প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে বেসিস দখল, লুটপাট আর দুর্নীতির শীর্ষ থাকা কোম্পানি গুলোই ৫ আগস্টের পর থেকে সুশীলতার রূপ ধারণ করে বেসিস এর সাধারণ সদস্যদের নির্বাচন থেকে দূরে রাখার অপচেষ্টা করেছে।
এমনকি ফ্যাসিস্ট আমলে জোর করে বন্ধ করে দেওয়া কোম্পানি গুলোকেও ভোটার হওয়ার সুযোগ দেয়নি। নানান কনস্টিটিউশনাল জটিলতা দেখিয়ে আওয়ামীলীগ এর নিবন্ধিত অস্তিত্বহীন কোম্পানি গুলোকেই ভোটার তালিকার শীর্ষে রেখেছিলো।
উল্লেখ্য, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ডিজিটাল উন্নয়ন বিভাগের অতিরিক্ত সচিব খন্দকার নাজমীনের স্বাক্ষরে জারি করা এই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, একটি স্বচ্ছ ও হালনাগাদ সদস্যভিত্তি তৈরি করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।