র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) প্রতিষ্ঠালগ্ন হতে বিভিন্ন ধরণের অপরাধ নির্মূলের লক্ষ্যে অত্যন্ত আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করে আসছে। সন্ত্রাস নির্মূল ও মাদকবিরোধী অভিযানের সাথে জড়িত বিভিন্ন সংঘবদ্ধ ও সক্রিয় সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্যদের গ্রেফতার করে সাধারণ জনগণের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে র্যাবের জোড়ালো তৎপরতা অব্যাহত আছে। এছাড়াও বিভিন্ন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীসহ অন্যান্য অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতার করে দেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সাইবার ক্রাইম, বিকাশ প্রতারণাসহ একাধিক জালিয়াতির ঘটনার সক্রিয় আসামি ১। মো: মাহিনুর রহমান মাহী (১৯), পিতা – মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ , সাং – পৌর মহিলা কলেজ রোড ৩২, স্বল্প মারিয়া, থানা – কিশোরগঞ্জ সদর, জেলা – কিশোরগঞ্জ এবং তার বিশেষ সহযোগী ২। মোঃ তরিকুল ইসলাম ইমন (২০), পিতা – মো: আ: মালেক, সাং – ডাহরা
থানা – হোসেনপুর, জেলা – কিশোরগঞ্জ এবং ৩। মো: সাদমান সাকিব প্রিয়ম (২১), পিতা : নাজমুল আলম, সাং – বরল্লা জাহাঙ্গীরপুর, থানা – নান্দাইল, জেলা – ময়মনসিংহ’ দেরকে রাজধানীর মিরপুর মডেল থানাধীন এলাকা হতে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় ধৃত মাহিনুর ও তার সহযোগী তরিকুল ও সাদমান যোগসাজোসে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সাইবার ক্রাইম, বিকাশ প্রতারণাসহ একাধিক জালিয়াতি করে আসছে। র্যাব-৩ এর একটি আভিযানিক দল বিকাশ প্রতারণার ক্লুলেছ আসামির তথ্য উৎঘাটন করার সময় সাইবার ক্রাইম, বিকাশ প্রতারণাসহ জালিয়াতির একটি সংঘবদ্ধ চক্রের তথ্য হাতে পায়। পরবর্তীতে উক্ত তথ্যর রহস্য উৎঘাটন করাকালীন র্যাব-৩ এর একটি আভিযানিক দল ধৃত মাহিনুর ও তার সহযোগী তরিকুল ও সাদমান এর সক্রিয়তার প্রমাণ পায়। এক পর্যায়ে আসামিদের সংশ্লিষ্টতার সত্যতা নিশ্চিত করে ধৃত মাহিনুর ও তার সহযোগী তরিকুল ও সাদমান এর হেফাজত হতে বিকাশ প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলফোন ১১ টি, বাটন মোবাইল ফোন ৩৪ টি এনআইডি কার্ড ৮৩ টি, প্রিন্টার মেশিন ১ টি এবং ১ টি লেমিনেটিং মেশিনসহ রাজধানীর মিরপুর মডেল থানাধীন এলাকা হতে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। আসামিগণকে উল্লেখিত আলামত সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা জানায় যে, উপরোক্ত জাল পরিচয় পত্র প্রিন্টার মেশিনের মাধ্যমে প্রিন্ট করে এবং লেমিনেটিং মেশিন দিয়ে লেমিনেটিং করে, বিভিন্ন উপায়ে জালিয়াতি করে।
এছাড়াও আসামিগনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় সাইবার ক্রাইমে একাধিক মামলা রয়েছে।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
ক