জেলহত্যা দিবসে মোমবাতি প্রজ্বালনে জাতীয় চার নেতাকে স্মরণ
জেলহত্যা দিবসে মোমবাতি প্রজ্বালনে জাতীয় চার নেতাকে স্মরণ
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত নভেম্বর ৪, ২০২৪
আজ ৩ নভেম্বর ৪৯তম জেল হত্যা দিবস। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের (পুরাতন) মূল ফটকের সামনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর জাতীয় চার নেতাকে মোমবাতি প্রজ্বলনের মাধ্যমে দিবসটি উপলক্ষে স্মরণ করেন মধ্যরাতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের দলীয় নেতা-কর্মীরা।
প্রতিবারের মতো ভোরবেলায় বনানী কবরস্থানে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাতে গেলে পুলিশ ও সেখানে অবস্থান নেয়া লোকজনের বাঁধায় কবর জিয়ারত ও শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপনে ব্যর্থ হন দূরদূরান্ত থেকে আসা দলীয় নেতাকর্মীরা।সেখানে ভোরবেলা গিয়ে সরেজমিনে দেখা যায়, পুলিশ দুটো গেইট বন্ধ করে পাহারা দিচ্ছে, সঙ্গে বেশ কিছু কয়েকটি গ্রুপও আছে। তারা কারা জানতে চাইলে পুলিশ বলে আমরা জানিনা। তাদের জিজ্ঞেস করলে উত্তেজিত হয়ে ওঠেন। এরপর দীর্ঘ সময় চেষ্টা করেও কেউ জাতীয় নেতাদের কবরস্থানে প্রবেশ করতে পারেনি আওয়ামী লীগের দলীয় নেতা কর্মীরা।
জাতীয় চার নেতাকে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাতে আসা তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ছাত্র লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আনোয়ার হোছাইন, ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সম্পাদক এনামুল হক প্রিন্স, সাবেক উপ-মানব সম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক কপিল হালদার সজল, সাবেক সহ-সভাপতি রুহুল আমিন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি এম.এম. নাজমুল হাসান, সাবেক সহ-সভাপতি হাসান আহম্মেদ খান, যুবনেতা জহির তালুকদার প্রমুখ।
ঢাকার বনানী কবরস্থানে দলীয় নেতা-কর্মীরা শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করতে না পেরে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে গেলে একইভাবে বাধা প্রাপ্ত হন পুলিশি বাধার মুখে নেতাকর্মীরা।
১৯৭৫ সালের এই দিনে অবৈধ বিশ্বাসঘাতক খন্দকার মোশতাক এর নির্দেশে গভীর রাতে সেনা সদস্যরা ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রবেশ করে জাতীয় চার নেতা তাজউদ্দীন আহমেদ, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, ক্যাপ্টেন মনসুর আলী ও এএইচএম কামরুজ্জামানকে নির্মমভাবে হত্যা করে সেইদিনে ঘাতকরা।