সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ থানাধীন এলাকায় র্যাব পরিচয়ে ডাকাতি মামলার তদন্তে প্রাপ্ত সন্ধিগ্ধ আসামি মোঃ কাঞ্চন হাওলাদার (৩৬)’কে রাজধানীর হাতিরঝিল থানাধীন এলাকা হতে গ্রেফতার করেছে র্যাব-০৩।
১। র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন, র্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন হতে বিভিন্ন ধরণের অপরাধ নির্মূলের লক্ষ্যে অত্যন্ত আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করে আসছে। সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ নির্মূল ও অবৈধ মাদক কারবারীদের সাথে জড়িত বিভিন্ন সংঘবদ্ধ ও সক্রিয় সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্যদের গ্রেফতার করে সাধারণ জনগণের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে র্যাবের জোড়ালো তৎপরতা অব্যাহত আছে। এছাড়াও বিভিন্ন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীসহ অন্যান্য অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতার করে দেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।
২। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে রাজধানীর হাতিরঝিল থানাধীন মধুবাগ এলাকা হতে সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ থানাধীন এলাকায় র্যাব পরিচয়ে বিকাশ ও নগদ ব্যবসায়ীর নিকট হতে ৫,০০০০০/- (পাচ লক্ষ) টাকা দস্যুতা মামলার মূলহোতা মোঃ কাঞ্চন হাওলাদার (৩৬), পিতাঃ মোঃ মিজান হাওলাদার, সাং গোসাইর হাট, থানাঃ কালকিনি, জেলাঃ মাদারীপুর’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-৩।
৩। মামলার এজাহারে জানাযায় যে, গত ১৫ অক্টোবর ২০২৫ তারিখ অনুমান সন্ধ্যা ০৭৩০ ঘটিকার সময় ভিকটিম বিকাশ ও নগদ ব্যবসায়ী মোঃ সুজন আহমেদ, পিতাঃ মোঃ মনসুর আলী, সাং-আমবাড়িয়া, থানাঃ তাড়াশ, জেলাঃ সিরাজগঞ্জ এর ব্যবসা সংক্রান্ত এর নগদ ৫,০০০০০/-(পাঁচ লক্ষ) টাকা নিয়ে নিজ বাড়িতে গমনের উদ্দেশ্যে রওনা হলে তাড়াশ থানাধীন আমবাড়িয়া রোডস্থ কেজি স্কুলের সামনে পৌছালে র্যাব পরিচয়ে তাকে একটি মাইক্রোবাসে তুলে নেয়। উক্ত মাইক্রোবাসের থাকা তিন জন ব্যক্তি র্যাব পরিচয় দিয়ে ভিকটিমের নিকট হতে ৫,০০,০০০ (পাঁচ লক্ষ) টাকা ও মোবাইল ফোন হাতিয়ে নেয়। পরবর্তীতে তাকে মারধোর করে সলঙ্গা থানাধীন দবিরগঞ্জ কবরস্থানের সামনে মহাসড়কে ফেলে রেখে চলে যায়। উক্ত ঘটনায় তাড়াশ থানার মামলা নং ০৫ তারিখ ১৭/১০/২০২৫ ধারা ৩৯৪/১৭০/১৭১ পেনাল কোড রুজু হয়। গত ১৯/১২/২০২৫ তারিখ র্যাব-৩ এর একটি চৌকষ আভিযানিক দল উক্ত মামলার তদন্তে প্রাপ্ত সন্ধিগ্ধ আসামি মোঃ কাঞ্চন হাওলাদার (৩৬), পিতাঃ মোঃ মিজান হাওলাদার, সাং গোসাইর হাট, থানাঃ কালকিনি, জেলাঃ মাদারীপুর’কে রাজধানীর হাতিরঝিল থানাধীন এলাকা হতে গ্রেফতার করে সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ থানায় হস্তান্তর করা হয়।
৪। ধৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।