১| এলিট ফোর্স হিসেবে র্যাব আত্মপ্রকাশের সূচনালগ্ন থেকেই আইনের শাসন সমুন্নত রেখে দেশের সকল নাগরিকের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যে অপরাধ চিহ্নিতকরণ, প্রতিরোধ, শান্তি ও জনশৃংখলা রক্ষায় কাজ করে আসছে| র্যাবের সৃষ্টিকাল থেকে মাদক কারবারি, অবৈধ অস্ত্র গোলাবারুদ উদ্ধার, চাঁদাবাজ, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, খুনী, ছিনতাইকারী, অপহরণ ও প্রতারকদের গ্রেফতার করে সাধারণ জনগণের মনে আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে|
২| এরই ধারাবাহিকতায়, গত ০৯ মে ২০২৬ তারিখ ১৮৩০ ঘটিকার সময় র্যাব-৩ ও র্যাব-৮ এর একটি যৌথ অভিযানিক দল রাজধানীর খিলগাঁও এলাকার কুখ্যাত জিসান গ্রুপের সক্রিয় চাঁদাবাজ এবং সন্ত্রাসী নাসির @ পিটার নাসির (৩৫), পিতাঃ মৃত আবুল কালাম মোল্লা, সাং-কালিহাতা, থানাঃ উজিরপুর ও জেলাঃ বরিশাল’কে বরিশাল জেলার উজিরপুর থানাধীন এলাকা হতে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়|
৩| প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায় যে, রাজধানীর খিলগাঁও এলাকার মোঃ সাদিকুর রহমান আকন্দ (৪২) একজন হাউজিং ব্যবসায়ী| ধৃত আসামী ও তার সহযোগীরা ভিকটিম সাদিকুর এর কাছ থেকে ২০,০০,০০০/- (বিশ লক্ষ) টাকা চাঁদা দাবী করে আসছিল| ধৃত পিটার নাসির চাঁদা না দিলে ভিকটিমকে প্রাণ নাশের হুমকি দেয়| ভিকটিম পিটার নাসির এর কথা কর্ণপাত না করায় ধৃত আসামি ভিকটিমকে হত্যার সুযোগ খুঁজতে থাকে| পরবর্তীতে গত ০৩ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ আনুমানিক বিকাল ০৫.২০ ঘটিকার সময় ভিকটিম পায়ে হেটে রাজধানীর খিলগাঁও থানাধীন নূরবাগ পানির পাম্পের সামনে আসলে পিটার নাসির ও তার সহযোগী মোটরসাইকেলে এসে হত্যার উদ্দেশ্যে ভিকটিমকে লক্ষ্য করে পিটার নাসির এর সহযোগী শুটার তারিফ ০৩ রাউন্ড গুলি ছুঁড়িলে তা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয় এবং ধৃত পিটার নাসির ও তার সহযোগী দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে| উক্ত ঘটনায় খিলগাঁও থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয় যার মামলা নং-১৪ তারিখ ০৪ এপ্রিল ২০২৬| পরবর্তীতে উক্ত ঘটনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচিত হলে এবং বিষয়টি র্যাব-৩ এর নজরে আসলে গত ০৯ মে ২০২৬ তারিখ ভিকটিমের দেওয়া তথ্য ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মাধ্যমে চাঁদাবাজী ও সন্ত্রাসী চক্রের সদস্য’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-৩| উল্লেখ্য যে, উক্ত ঘটনার মূলহোতা মোঃ তারিফ হোসেন @ শুটার তারিফ (৪০)’কে গত ২২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে র্যাব-৩ কর্তৃক গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়|
৪| ধৃত পিটার নাসির এর নামে রাজধানীর রামপুরা থানায় ০১টি মাদক মামলা ও খিলগাঁও থানায় ০১টি পর্ণোগ্রাফী ও চাঁদাবাজি মামলা, ০১টি দস্যুতা মামলা, ০৬টি ডাকাতি প্রস্তুতি মামলা, ০৪টি মাদক মামলা, ০১টি হত্যা মামলা এবং ০৩টি মারামারি মামলাসহ মোট ১৭টি মামলা রয়েছে|
৫| ধৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে|