রাজধানীর খিলগাঁওয়ে ১৫ বছরের বালিকাকে আটকে রেখে গণধর্ষণ মামলার এজাহারনামীয় এক নম্বর আসামি রাজু (৪৫)কে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-০৩
এলিট ফোর্স হিসেবে র্যাব আত্মপ্রকাশের সূচনালগ্ন থেকেই আইনের শাসন সমুন্নত রেখে দেশের সকল নাগরিকের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যে অপরাধ চিহ্নিতকরণ, প্রতিরোধ, শান্তি ও জনশৃংখলা রক্ষায় কাজ করে আসছে। র্যাবের সৃষ্টিকাল থেকে মাদক কারবারি, অবৈধ অস্ত্র গোলাবারুদ উদ্ধার, চাঁদাবাজ, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, খুনী, ছিনতাইকারী, অপহরণ ও প্রতারকদের গ্রেফতার করে সাধারণ জনগণের মনে আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায়, র্যাব-৩ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল অভিযান পরিচালনা করে ১৫ বছরের বালিকাকে গণধর্ষনের মামলার প্রধান আসমি রাজু (৪৫), পিতাঃ মোঃ মোজাম্মেল হোসেন, ১১৮/গ মেরাদিয়া, লালমিয়া গলি, খিলগাঁও, ঢাকা’কে রাজধানীর খিলগাঁও থানাধীন এলাকা হতে অদ্য ২৬ অক্টোবর ২০২৫ তারিখ সকালে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-৩।
মামলার এজাহারে জানা যায় যে, গত ০৯ জুন ২০২৫ তারিখ ভিকটিম আরজিনা আক্তার (১৫) তার বাবার উপর রাগ করে বাড়ী থেকে বের হয়ে মানিকগঞ্জ তার চাচার বাড়িতে গমনের প্রাক্কালে আসামি রাজু (৪৫) এর সাথে অটোরিক্সাতে ভিকটিমের পরিচয় হয়। পরিচয়ের একপর্যায়ে পানির সাথে চেতনানাশক ঔষধ খাওয়ায়ে অজ্ঞান করে খিলগাঁও থানাধীন মেরাদিয়া এলাকায় নিয়ে এসে একটি টিন শেড বাড়িতে আটকে রেখে গত ১০ জুন ২০২৫ তারিখ ধৃত প্রধান আসামি মোঃ রাজু (৪৫) ও তার সহযোগী জুয়েল, পলাশ, লিমন, বায়েজিদ, রাকিব ও জোবায়ের হোসেন রনি জোর পূর্বক গণধর্ষন করে। একই ব্যক্তিরা পরদিন ১১ জুন ২০২৫ তারিখ পুনরায় গণধর্ষন করলে ভিকটিম অজ্ঞান হয়ে যায়। পরবর্তীতে ভিকটিমের জ্ঞান ফিরলে আসামিরা তাকে রিকশা যোগে রামপুরা ব্রিজের নিকট রেখে আসে। ভিকটিম একজন রিকশা চালককে সাথে নিয়ে খিলগাঁও থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করে। ধৃত আসামি দীর্ঘদিন পলাতক থাকলেও র্যাবের তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় তাকে খিলগাঁও এলাকা হতে গ্রেফতার করা হয়। র্যাব-৩ কর্তৃক এ মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারের প্রচেষ্টা অব্যহত রয়েছে।
ধৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।