• ১লা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১৭ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ১৮ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি
আগুনবেলা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সরকার সুষম উন্নয়ন, জলবায়ু সহনশীলতা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ- পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত মে ৫, ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সরকার সুষম উন্নয়ন, জলবায়ু সহনশীলতা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ- পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ও জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় হিমালয়ের পাদদেশস্থ বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটানের পার্বত্য অঞ্চল অধ্যুষিত ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট দুর্দশা কবলিত বসতিদের পাশে দাঁড়ানোর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি আরও বলেন, আমাদের প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্যকে রক্ষা করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সরকার সুষম উন্নয়ন, জলবায়ু সহনশীলতা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

সোমবার, ০৪ মে ২০২৬ তারিখে ঢাকার রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে কানাডা সরকারের অর্থায়নে ‘গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কানাডা’ (জিএসি)-এর মাধ্যমে বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায় গৃহীত ‘হিন্দু-কুশ হিমালয় অঞ্চলে সমন্বিত জলবায়ু অভিযোজন সমাধান (হাই-কাস)’ প্রকল্পের কিক অফ মিটিং-এ প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুচিন্তিত দিক-নির্দেশনায় পার্বত্য চট্টগ্রামের আরও উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি হবে এবং একটি বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আমরা প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করতে, পানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং নারী ও যুবকদের জন্য সুযোগ সৃষ্টিতে কাজ করে যাচ্ছি। তিনি বলেন, এই উদ্যোগটি আমাদের জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা (NAP) এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG)-এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। বান্দরবান সদর উপজেলার সুয়ালক ইউনিয়ন ও খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা এলাকায় পাইলট প্রকল্প হিসেবে গৃহীত এ উন্নয়ন প্রকল্পটি সফল হলে পরবর্তীতে পুরো পার্বত্য চট্টগ্রামে তা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেয়া হবে বলে জানান মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকা ও আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার অত্যন্ত আন্তরিক। প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল এমপি আরও বলেন, প্রকৃতির পরিবর্তনের কারণে বর্তমানে বৃষ্টিপাতের ধরন বদলাচ্ছে ও খরা দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে কৃষি জীববৈচিত্র্য ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ওপর জোর দেওয়া একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ। জনকল্যাণে বিশেষ করে পাহাড়ের মানুষের কল্যাণে দেশি-বিদেশি সংস্থার গৃহীত প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা থাকবে বলে প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দীন এমপি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মনিরুল ইসলাম অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইসিমোডের হাই-কাস প্রকল্পের সিনিয়র প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর জেসিকা এমিলি ফুলউড থমাস, আরণ্যক ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ড. মোহাম্মদ আব্দুল মোতালেব, প্রকল্পের ফোকাল মো. ইমরানুল ইসলাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য ফাদাং তাং রান্ডাল, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য মে মে ন্যু মারমা এবং আরণ্যক ফাউন্ডেশনের প্রধান (যোগাযোগ ও অ্যাডভোকেসি) আরিফুর রহমান। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দসহ পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার কর্মকর্তাবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

August 2026
S S M T W T F
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031