কে আই তাজ
অনেক রেস্টুরেন্ট থাকে, যেগুলো এক সময় মায়াময় পরিবার বা কমিউনিটি হয়ে যায়। ঠিক তেমন একটি অবস্থানে চলে এসেছে পিজ্জাবার্গ। আজ ১৮ জানুয়ারী, পিজ্জাবার্গ এর জন্মদিন, ৬ বছর পূর্ণ করে ৭ম বছরে পদার্পণ করল। ঢাকার মিরপুরে ২০১৮ সালে সর্বপ্রথম শাখা দিয়ে যাত্রা শুরু করে পিজ্জাবার্গ। একে একে মোট ১৫ টি শাখা হয়েছে ঢাকার গুলশান-১, খিলগাও, বসুন্ধরা আবাসিক, ধানমন্ডি সহ অন্যান্য জায়গায়। নারায়ণগঞ্জ এবং চট্টগ্রামেও শাখা আছে। ১৫ টি শাখার ভেতর আবার ঢাকায় ৩ টি ক্লাউড কিচেন আছে, সেখান থেকে পার্সেল ডেলিভারীর অর্ডার নেওয়া হয়। ঢাকার ওয়ারীতে আজ বর্ষপূর্তির দিনেই নতুন ঠিকানায় আগের আউটলেট যাত্রা শুরু করেছে।
সল্প সময়ে অসম্ভব জনপ্রিয় হয়েছে পিজ্জাবার্গ এর সব খাবার আইটেম, ব্রাঞ্চ সাজসজ্জা, স্টাফদের আন্তরিক আচার ব্যবহার ইত্যাদি। ৩৫০ জন কর্মী সরাসরি কাজ করে এখানে। পরোক্ষভাবে আছে আরও ৩৫০ জন। সব মিলে ৭০০ জনের কর্মসংস্থান হয়েছে পিজ্জাবার্গে। সেই সূত্রে, মালিক-শ্রমিক সম্পর্ক শুধু মালিক-শ্রমিকের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, তা হয়ে গেছে বন্ধুত্বের আবরণে সুমধুর এক সম্পর্ক। পিজ্জাবার্গ কর্ণধার মীর মেহেদী এসব ব্যাপারে খুব সজাগ, আর নতুনত্ব আনার বিষয়ে তিনি সদা তৎপর। নতুন সংযোজনের মাঝে পিজ্জাবার্গ স্টুডিও সব শাখাতেই করা হয়েছে, যেখানে সৃষ্টিশীলদের মিলন মেলা হয়।
এ প্রসঙ্গে রেস্টুরেন্টের এজিএম রোমান্স খান জানানঃ “সৃজনশীল স্বাধীনতাকে পিজ্জাবার্গ যথেষ্ট গুরুত্ব দেয়। অন্য সব রেস্টুরেন্ট বা ক্যাফে থেকেও স্বতন্ত্র ভাবে সব কিছু পরিবেশন করা হয় এখানে। সব ক্ষেত্রেই স্বচ্ছতা বজায় রাখার চর্চা করা হয়। কিচেন প্রস্তুতি থেকে শুরু করে খাদ্য তৈরি, টেবিলে পৌছে দেওয়া, পার্সেল ডেলিভারীতে সতর্কতা- সব মিলে মান নিয়ন্ত্রণে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিষয়কেও গুরুত্ব দেওয়া হয়।” উল্লেখ্য, পিজ্জাবার্গে ১২ ধরণের পিজ্জা, ৪ ধরণের বার্গার, কয়েকপদ সেট মেন্যু সহ বাহারী কিছু মুখরোচক খাবার পাওয়া যায়। সব মিলে খাদ্যপ্রেমীদের কাছে পিজ্জাবার্গ অনন্য অভিজ্ঞতা ও আস্থার একটি নাম।