• ২রা নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১৭ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি
আগুনবেলা

একুশে পদকপ্রাপ্ত খ্যাতনামা বিশিষ্ট কবি অসীম সাহা আর নেই

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত জুন ১৯, ২০২৪
একুশে পদকপ্রাপ্ত খ্যাতনামা বিশিষ্ট কবি অসীম সাহা আর নেই

বাংলা একাডেমী সাহিত্য পুরুস্কার ও একুশে পদকপ্রাপ্ত বিশিষ্ট কবি অসীম সাহা আর নেই। মঙ্গলবার (১৮ জুন) বিকেল ৪টার দিকে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালেয় (বিএসএমএমইউ) শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।তিনি পারকিনসন (হাতকাঁপা রোগ), কোষ্ঠকাঠিন্য ও ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন রোগে দীর্ঘদিন ধরে ভুগছিলেন।নীলক্ষেতে তার ইত্যাদি প্রিন্টাস নামে একটি প্রতিষ্ঠান ছিল।

৮০ ও ৯০ দশকে ছাত্রনেতারা যখন ক্যাম্পাসে থাকতেন তখন ক্যাম্পাস কালীন সময়টুকুতে মুদ্রণ শিল্পে এতটা আধুনিকায়ন ছিল না। অর্থের প্রাচুয্য তো নয়ই।নিউজ প্রিন্টে বড়জোড় দুই কালারের পোস্টার ছাঁপানো।
স্বৈরাচার সন্ত্রাস সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে
নীলক্ষেতে কবি অসীম সাহার “ইত্যাদি প্রিন্টার্স তৎকালীন ছাত্র নেতাদের দু:সময়ের অন্যতম ভরসা ও ঠিকানা ছিল।দু:শাসনের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে সাহসের সাথেই তিনি ছিলেন সাংস্কৃতিক আন্দোলনের প্রথম সারিতে।“একুশে পদক “ তাঁর আপোষহীন কর্মের অনন্য স্বীকৃতি।

বাংলা সাহিত্যে অবদানের জন্য ২০১২ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন অসীম সাহা। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অবদানের জন্য ২০১৯ সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত করে।

১৯৪৯ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি অসীম সাহা নেত্রকোনা জেলায় মামার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈতৃক নিবাস মাদারীপুর। তার বাবা অখিল বন্ধু সাহা ছিলেন অধ্যাপক।

কবি অসীম সাহা ১৯৬৫ সালে মাধ্যমিক পাস করেন এবং ১৯৬৭ সালে মাদারীপুর নাজিমুদ্দিন মহাবিদ্যালয় থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন।

১৯৬৯ সালে স্নাতক পাস করে তিনি ১৯৬৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগে ভর্তি হন। ১৯৬৯ সালে অসহযোগ আন্দোলন এবং পরে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতাযুদ্ধ শুরু হলে তার স্নাতকোত্তর পরীক্ষা পিছিয়ে যায় এবং তিনি ১৯৭৩ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।

November 2026
S S M T W T F
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930