• ২৬শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১১ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ১২ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি
আগুনবেলা

ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও বৈশ্বিক হুমকি নিয়ে কঠোর অবস্থানে নেতানিয়াহু

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত মার্চ ৩, ২০২৬
ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও বৈশ্বিক হুমকি নিয়ে কঠোর অবস্থানে নেতানিয়াহু

ইরান যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইলের নিরাপত্তার জন্য চরম হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। সোমবার (২ মার্চ) ফক্স নিউজকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং ভূগর্ভস্থ সামরিক স্থাপনা নিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।
সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু বলেন, ‘ইরান একমাত্র দেশ যারা প্রকাশ্যে যুক্তরাষ্ট্রকে ধ্বংস করার হুমকি দেয় এবং সেই লক্ষ্য অর্জনে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তাদের এই ধ্বংসাত্মক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের আগেই আমাদের পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি ছিল।’

নেতানিয়াহু আরও দাবি করেন, ইরান তাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক কর্মসূচিকে যেকোনো ধরনের হামলার হাত থেকে রক্ষা করতে নতুন নতুন গোপন স্থাপনা ও ভূগর্ভস্থ বাঙ্কার তৈরি করছে। তিনি বলেন, ‘এখন ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতাকে রুখে দেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ত।’

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে তিনি জানান, ইরানকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া হবে না—এই লক্ষ্য অর্জনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল একযোগে কাজ করছে। আলোচনা ও কূটনৈতিক সতর্কবার্তা সত্ত্বেও ইরান তাদের অবস্থানে অনড় থাকায় শেষ পর্যন্ত এই সামরিক পদক্ষেপ নিতে হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের মধ্যকার বর্তমান জোট অত্যন্ত শক্তিশালী। আমরা সম্মিলিতভাবে কাজ করছি, যাতে ইরান ভবিষ্যতে পারমাণবিক শক্তি অর্জন করে বিশ্বশান্তির জন্য হুমকি হয়ে উঠতে না পারে।’
ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যে নেতানিয়াহুর এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা।

প্রকাশ্য হুমকি: ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে ধ্বংস করার লক্ষ্যে কাজ করছে।
সুরক্ষিত স্থাপনা: ইরান গোপনে ভূগর্ভস্থ বাঙ্কার ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কার্যক্রম চালাচ্ছে।
যৌথ উদ্যোগ: পারমাণবিক কর্মসূচি রোধে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র এখন আগের চেয়েও শক্তিশালী জোটে আবদ্ধ। কূটনৈতিক ব্যর্থতার পর কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া অনিবার্য হয়ে পড়েছিল।