চুয়াডাঙ্গা সদরে অঞ্জলি রানী বিশ্বাস এর স্বজনদের করুণ আহাজারী
চুয়াডাঙ্গা শহরতলীর দৌলতদিয়াড় এলাকায় রবিবার, (২০ অক্টোবর) সকালে ঘরে ঢুকে দুর্বৃত্তরা অঞ্জলী রানী বিশ্বাস নামে এক গৃহবধূ নারীকে গলা কেটে হত্যা করেছে।সকালে ওই গৃহবধূর নিজ ঘরে বাড়িতে ঢুকে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করা হয় গৃহবধূ নারীকে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। অঞ্জলি তার ভাইয়ের মেয়ে ঐশি রানি বিশ্বাসের সাথে সকালে চিকিৎসার জন্য সদর হাসপাতালে যাওয়ার কথা ছিল। পরে ঐশি রানি বিশ্বাস পিসিকে হাসপাতালে যাওয়ার জন্য বাড়িতে ডাকাডাকি করে। কোন সাড়া শব্দ না পেয়ে জানালা দিয়ে দেখে তার রক্তাক্ত মরদেহ ঘরের মেঝেতে পড়ে আছে। এ সময় আতঙ্কিত হয়ে চিৎকার শুরু করে।
অন্জলী রানীর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন স্বজন ও প্রতিবেশীরা।কে বা কারা এবং কেন অঞ্জলি রানীকে হত্যা করেছে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে তা জানাতে পারেনি। নিহত অঞ্জলি রানী বিশ্বাস (৫৫)
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার দৌলাতদিয়াড় গ্রামের দক্ষিণ পাড়ার গণেশ পরামানিকের স্ত্রী। স্বামী গণেশ নাপিতের কাজ করেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানিয়েছেন, নিজ বাড়িতে স্বামী-স্ত্রী বসবাস করতেন। রোববার সকালে স্বামী কাজের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে গেলে স্ত্রী বাড়িতে একাই ছিলেন। এ সময় দীর্ঘ সময় তার সাড়াশব্দ না পেয়ে এক স্বজন এসে ডাকাডাকি করেন। পরে জানালা দিয়ে গলা কাটা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন।
এলাকার বাসিন্দারা জানায়, প্রতিদিনের মতো রবিবার সকালেও অঞ্জলির স্বামী কাজের জন্য বাড়ি থেকে আলুকদিয়া বাজারে তার নিজের দোকানে যান। খবর পেয়ে তিনি বাড়িতে আসেন। পুলিশ অঞ্জলির স্বামীর সাথে কথা বলে তথ্য সংগ্রহ করেছে।
এ ঘটনায় মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আনিসুজ্জামান জানান, বেশ কয়েকটি বিষয় সামনে রেখে তদন্ত কাজ চলছে। দ্রুতই ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে।