সিজিএসের উদ্যোগে অনুষ্ঠেয় সম্মেলনের প্রথম দিনে উদ্বোধনী বক্তা হিসেবে অংশ নেবেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে দেশ-বিদেশের ৮০০ প্রতিনিধির অংশগ্রহণে তিন দিনব্যাপী ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন’ শুরু হচ্ছে।শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজে (সিজিএস) সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।শনিবার ১৬ নভেম্বর সোনারগাঁও হোটেলে তৃতীয়বারের মতো আয়োজিত এই সম্মেলন শুরু হয়ে চলবে সোমবার (১৮ নভেম্বর) পর্যন্ত।
শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে এ তথ্য জানান টকশো ‘তৃতীয় মাত্রা’র উপস্থাপক ও সিজিএসের নির্বাহী পরিচালক জিল্লুর রহমান।
সংলাপে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা এবং ভুল তথ্যের ক্রমবর্ধমান বিস্তার, সবুজ শক্তি এবং জলবায়ু পরিবর্তন, বিশ্ববাণিজ্য এবং অর্থনৈতিক সমস্যা, বৈশ্বিক সংঘাত এবং ভূ-রাজনীতির ল্যান্ডস্কেপ ও মানবাধিকার বিষয়গুলো আলোচিত হবে।
৭৭ টি সেশন হবে এবারের আয়োজনে।গবেষক, শিক্ষক, লেখক, সমরবিদ, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী এবং রাজনীতিকসহ বিভিন্ন পেশার ৮ শতাধিক ব্যক্তি এতে অংশ নেবেন। উদ্যোগটির মূল লক্ষ্য,
এ অঞ্চলে দ্রুত বিকাশমান পরিস্থিতিকে বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে জানা ও বোঝা।
জিল্লুর রহমান বলেন, এ ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজন করা খুব কঠিন। গত দুই বছর খুব বেগ পেতে হয়েছে। আমরা আন্তর্জাতিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা করতে চাই। বাংলাদেশের ইস্যু টুকটাক, তবে আন্তর্জাতিক ইস্যু বেশি আসবে। সরকারের সাহায্য চাই, আমাদের আয়োজনে যেন কেউ বাধা হয়ে না দাঁড়ায়। বে অব বেঙ্গলে আমাদের যে অংশীদারত্ব আছে এটা পৃথিবীর মানুষকে জানানো হয় এ ধরনের আয়োজনে। এতে বাংলাদেশও লাভবান হয়। আমরা সবসময় এ আয়োজনকে সরকারের বাইরে রাখতে চাইবো। আমাদের পলিসিগুলো নীতি নির্ধারকদের জন্য। সরকারের সঙ্গে আমরা কোনো আর্থিক বিষয়ে জড়াবো না।
আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে বিগত দুটি আয়োজনে অসহযোগিতার অভিযোগ তুলে জিল্লুর রহমান বলেন, তৎকালীন সরকারের মন্ত্রীরা শেষ মুহূর্তে অনুষ্ঠানে আসেননি৷ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে হয়রানি করা হয়েছে। তবে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার এই আয়োজনে ‘সহযোগিতা করছে’ বলেও জানিয়েছেন জিল্লুর রহমান।
‘বে অব বেঙ্গল কনভারশেসন’ প্রথমবার হয়েছিল ২০২২ সালের নভেম্বরে; গতবছর হয়েছিল অক্টোবরে।