রাজীব দে:
রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরা (আইসিসিবি)-তে অনুষ্ঠিত তিন দিনব্যাপী ‘সেভর এক্সপো ২০২৬’ (Safe HVACR) মেলা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। মেলার শেষ দিনে দেশের শীর্ষস্থানীয় ইলেকট্রনিক্স ও প্রযুক্তিপণ্য জায়ান্ট ‘ওয়ালটন’-এর স্টলে ছিল ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়। মেলায় রেসিডেনশি্যাল, কমার্শিয়াল এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল এয়ার কন্ডিশনার (এসি) খাতের সর্বাধুনিক ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি প্রদর্শন করে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে ব্র্যান্ডটি।
মেলার সমাপনী দিনে ওয়ালটন গ্রুপের এয়ার কন্ডিশন মার্কেটিং অ্যান্ড কমিউনিকেশনস বিভাগের ব্র্যান্ড ম্যানেজার খলিলুর রহমান বলেন,
“ওয়ালটন বর্তমানে বাংলাদেশের মানুষের প্রথম পছন্দ এবং দেশের ‘নাম্বার ওয়ান’ এসি ব্র্যান্ড। এবারের এক্সপোতেও আমরা কাস্টমারদের কাছ থেকে অসাধারণ সাড়া পেয়েছি। আমরা এবার মেলায় বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ফিচার সমৃদ্ধ এসি নিয়ে এসেছি, যা সম্পূর্ণ আমাদের নিজস্ব পেটেন্টেড প্রযুক্তিতে তৈরি।”
খলিলুর রহমান মেলায় প্রদর্শিত ওয়ালটনের যুগান্তকারী প্রযুক্তিগুলোর মূল হাইলাইট তুলে ধরেন: -আইকনিক টিএফটি কালার ডিসপ্লে: এই ডিসপ্লের মাধ্যমে গ্রাহক ইনডোর-আউটডোর তাপমাত্রা, এয়ার পিউরিফায়ারের অবস্থা, সময়, তারিখ এবং এসি কতটুকু বিদ্যুৎ সাশ্রয় করছে তা সরাসরি দেখতে পাবেন। বাংলাদেশে এই প্রযুক্তি শুধু ওয়ালটনেরই রয়েছে।
অফলাইন ভয়েস কন্ট্রোল:স্মার্টফোন বা রিমোট ছাড়াই কেবল মুখের কথায় (‘হ্যালো ওয়ালটন এসি স্টার্ট’) এই এসি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
কোর্টেক (Cortec) প্রযুক্তি:উপকূলীয় বা অতি-ক্ষয়কারী অঞ্চলের জন্য বিশেষভাবে তৈরি এই প্রযুক্তি সাধারণ এসির তুলনায় ৩২% বেশি দীর্ঘস্থায়ী, যা বিএবিএস (BABS) দ্বারা প্রমাণিত।
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী এআই ও সোলার হাইব্রিড:এআই প্রযুক্তি ঘরের মানুষ বুঝে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে বিদ্যুৎ বিল কমায়। ওয়ালটনের এসি বুয়েট ও বিএসটিআই দ্বারা সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী হিসেবে সার্টিফাইড। এছাড়া সোলার হাইব্রিড এসি দিনে সূর্যের আলোতে এবং রাতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে গ্রিড বিদ্যুতে চলে।
প্যানোরমা ও কাস্টমাইজড কালার সিরিজ:মেডিকেল সেন্টার বা অফিসের জন্য বড় স্ক্রিনের ‘প্যানোরমা সিরিজ’ এবং ঘরের ইন্টেরিয়রের সাথে মিলিয়ে পিঙ্ক, গোল্ড, লাইট ল্যাভেন্ডারসহ ৫টি আকর্ষণীয় কালার কাস্টমাইজেশনের সুবিধা।
টি-থ্রি এবং ম্যাক্স থ্রি প্রযুক্তি:বাইরের তাপমাত্রা ৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলেও ঘর ঠান্ডা রাখবে এবং ‘ম্যাক্স কুল’ মোডে ১.৫ টনের এসি ১.৭ টনের সক্ষমতায় দ্রুততম সময়ে ঘর শীতল করবে।
ওয়ালটনের কমার্শিয়াল সক্ষমতা উল্লেখ করে তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ আজ বিশ্বের ৯ম এবং দেশের ১ম ভিআরএফ (VRF) ও চিলার (Chiller) উৎপাদনকারী দেশ, যার কৃতিত্ব ওয়ালটনের। সেন্ট্রাল মনিটরিং সিস্টেমের মাধ্যমে বিশাল কর্পোরেট ভবন বা কলকারখানার এসি সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
মেলা শেষ হলেও গ্রাহকরা দেশজুড়ে যেকোনো ওয়ালটন প্লাজা, পরিবেশক শোরুম কিংবা অনলাইন প্ল্যাটফর্ম (waltonbd.com বা waltonplaza.com.bd) থেকে আকর্ষণীয় সুবিধায় দেশসেরা এই এনার্জি এফিশিয়েন্ট এসিগুলো কিনতে পারবেন।